রবিবার, এপ্রিল ১৮, ২০২১
Home Blog

খুনি হেলাল আটক ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

0
খুনি হেলাল আটক ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

মেহেদী হাসান, বাংলাদেশ নিউজ২৪

মিরপুর থানাধীন কাজীপাড়া এলাকায় ঘটলো একটি মর্মান্তিক খুন।স্বামী কর্তৃক স্ত্রী খুন হওয়ার এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় নানান গুঞ্জনও শুরু হয়ে গেছে। লোকমুখে শোনাযায় মৃত মুর্শিদার স্বামী ইতিপূর্বে অনেকবার মারধর করে স্ত্রীকে যখম করে এবং বাসা থেকে চলে যায়। চাচা শ্বশুরসহ অন্যান্য ময়মুরুব্বি বিচার-শালিশ করে আবার দুজনকে মিলিয়ে দিয়ে সংসার টেকানোর চেস্টা করেন। কিন্তু হেলাল অন্য কোন মেয়ের সাথে সম্পর্ক থাকায় স্ত্রী মুরশিদাকে সহ্য করতে পারছিল না। তাই রাতের আঁধারে স্ত্রীকে শ্বাসরুদ্ধ করে হ্ত্যা করে হেলাল। পরে বিষয়টি ধামাচাঁপা দেবার জন্যে পাশের রুম থেকে শ্বাশুড়ীকে ডেকে ফাঁসি বলে চালিয়ে দিতে চেষ্টা করে। শ্বাশুড়ী রাহেলা খাতুন মেয়ের লাশ দেখে চিৎকার দিয়ে কান্না করতে থাকলে এলাকাবাসীরা এগিয়ে আসেন এবং বিষয়টি হত্যা বলে অনুমান করেন। তখন আনুমাানিক ২টার দিকে বাড়ীওয়ালা পক্ষ থানায় ফোন করলে থানা থেকে এস আই নাসির ও এস আই জামিউর এসে খুনিকে ধরে নিয়ে যান। সকাল আনুমানিক ৬:১০ মি. সিআইডি অফিসার সাইফুরসহ আরও ৩জন সহযোগী এসে বিষয়টির বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেন মিরপুর থানার মহিলা পুলিশের মাধ্যমে। তাৎক্ষনিক একটি জিডি হয় যার নং-৪০৬/০৬ এবং পরে একটি মামলা দায়ের হয় যার নং-১২/৬ তারিখ। হত্যার ঘটনাটি শুনতে পেয়ে পেয়ে ছুটে আসেন মিরপুর থানার এসি. মোমেন, ওসি মোস্তাফিজুর রহমান, ওসি অপারেশনসহ অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তা । সুরতহাল অনুলিপি করে এস.আই নাছির লাশটি ময়না তদন্তের জন্য সোহরাওয়ার্দি হাসপাতাল পাঠান এবং মামলা এফ আইআর হলে বাদীকে ২দিন পর কপি নিতে বলেন। বাদী লাশ নিয়ে গ্রামের বাড়ী গিয়ে দাফন শেষ করে আসেন। অন্যদিকে আসামীর বাবা-মা আসামীকে ছাড়িয়ে নেয়ার পায়তারা করে থানার আশেপাশে ঘোরাঘুরি করতে থাকেন। আসামীর বিরুদ্ধে ৭দিনের রিমান চাইলে ২দিন দেয়া হয় বলে জানিয়েছেন এসআই নাসির।

অন্যদিকে কে বা কাহারা মৃত মুর্শিদার মা রাহেলাগং কে ইন্দন দিয়ে বাড়ীর মালিককে ফাঁসানোর জন্য পরামর্শ দেন। দিলে মুর্শিদার মা বাড়ীওয়ালীকে ডেকে বলেন আমার মেয়ে মারা গেছে এইটার বিচার চাই বাড়ীওয়ালারা যদি এইটার বিচার না করে তাহলে আমি এই বাসায় ফাঁসি দিয়ে আত্মহত্যা করে আরেকটি ঘটনা ঘটাবো। এই ঘটনার কথা শুৃনে বাড়ীর মালিক থানায় একটি সাধারণ ডাইরীর জন্য অবগত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার জন্য অনুরোধ করেন। সেই সাথে ইন্দন দাতাদেরকে খুঁজে বের করে যথাপোযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করেন।

স্ত্রী মোশের্দাকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা, আসামী গ্রেপ্তার, ফাঁসির দাবী স্বজনদের

0
স্ত্রী মোশের্দাকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা, আসামী গ্রেপ্তার, ফাঁসির দাবী স্বজনদের

মোঃ মেহেদী হাসান, বাংলাদেশ নিউজ২৪

মিরপুর থানাধীন কাজীপাড়া এলাকায় ঘটলো একটি মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা! জানাযায় কাজীপাড়া নিবাসী মোঃ হেলাল উদ্দিন (২৮) দীর্ঘদিন যাবত বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে সংসার করে আসছিলেন। তাদের ৩ বছরের একটি কন্যা সন্তানও রয়েছে। গত গয়েক মাস যাবৎ মোবাইল ফোনে পরকিয়া প্রেমে লিপ্ত এবং একাধীক মেয়ের সাথে ফোনে নানানভাবে ভিডিও ও অডিও কলে কথা বলার প্রমাণ পান স্ত্রী মোশের্দা খাতুন (২৪) পিতা- মোঃ মোসলেহ উদ্দিন। যা নিয়ে প্রায় প্রতিদিনই কলহ লেগেই থাকতো। গত ৬ই এপ্রিল ২০২১ইং তারিখে আনুমানিক রাতের ২টার দিকে চিৎকার চেচামেচি শুনতে পেলে এলাকার জনগণ এগিয়ে আসেন এবং দেখতে পান বিছানায় পড়ে আছে স্ত্রী মুর্শিদার মরদেহ। বাংলাদেশ নিউজ২৪ এর সাংবাদিককে মুর্শিদার মা জানান যে উক্ত হেলাল আমার মেয়েকে সর্বদাই নানান ভাবে অত্যাচার করে থাকে। কিছুদিন যাবৎ কোন এক মেয়ের সাথে কোন ভিডিও আমার মেয়ে দেখে ফেলেছে। এই ব্যপারে তারা প্রায় সময়ই ঝগড়া করতে শুনতাম। কিন্তু বিষয়টা এই পর্যন্ত যাবে বুঝতে পারি নাই। তাহলে আমার মেয়ের মৃতদেহ আমার সামনে আসতো না বলতে বলতেই কান্নায় ঢলে পারেন মুর্শিদার মা। তিনি আরও জানান আমাদের রুমের ফ্যান নষ্ট হয়ে যায় আর আমরা ভিতরের রুমে থাকায় গরমও বেশি লাগে। কোন মতে আমরা জানালা খুলে সবাই ঘুৃমিয়ে পরি। হঠাৎ উক্ত হেলাল আনুমানিক রাত ১:৪০ মি. এর দিকে আমাকে ডেকে উঠায় আর বলতে থাকে আম্মা দেখেনতো মুর্শিদার কি হইছে? আমি দৌড়ে চিৎকার দিয়ে মুর্শিদাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে থাকি আর জিজ্ঞাসা করতে থাকি কি হইছে আমার মেয়ের? তখন হেলাল বলেন আম্মা আমি ২টা ঘুমের ঔষধ খেয়ে ঘুমিয়ে ছিলাম। হঠাৎ ঘুম থেকে জেগে দেখি মুর্শিদা ফাঁসি দিয়েছে। আমি তাকে নামিয়ে আপনাকে ডাক দিয়েছি। মুর্শিদার মায়ের বয়ান অনুযায়ী তখন ফ্যান চলমান ছিল। এমনকি ফ্যান বন্ধ করে দেখা যায় ফ্যানের সহিত দড়ি কিংবা ফাঁস লাগানোর কোন কিছু ঝুলে নেই। এমনকি ফাঁসি দিতে গিয়ে ফ্যানের কোন যায়গায় ময়লা পরিস্কার হয়েছে এমন প্রমানও পাওয়া যায়নি। অতপর: রাতের আনুমানিক ৩:৪৫মি. এর দিকে দায়িত্বরত পুলিশ এসে বিষয়টি তদন্ত করেন এবং আসামীকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যান। পরে সকাল আনুমাানিক ৬:১০ মি. সিআইডি অফিসার সাইফুরসহ আরও ৩জন সহযোগী এসে বিষয়টির বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেন মেরী নামক মহিলা পুলিশের মাধ্যমে। তাৎক্ষনিক একটি জিডি হয় যার নং-৪০৬/০৬ এবং পরে একটি মামলা দায়ের হয় যার নং-১২/৬ তারিখ। হত্যার ঘটনাটি শুনতে পেয়ে পেয়ে ছুটে আসেন মিরপুর থানার এসি. মোমেন, ওসি মোস্তাফিজুর রহমান ও অন্যান্য সহযোগীরা। সুরতহাল অনুলিপি করে এস.আই নাছির লাশটি ময়না তদন্তের জন্য সোহরাওয়ার্দি হাসপাতাল পাঠান। মুর্শিদার মৃত্যুতে এলাকাবাসীর মনে নেমে আসে গভীর শোক। স্বজনদের আহাজারী একটাই খুনির ফাঁসি চাই, খুনির ফাঁসি চাই। এব্যপারে এসআই নাছির বাংলাদেশ নিউজ২৪ কে জানান আসামী প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এখনও স্বীকার করেনি যে আসামী খুন করেছে। তবে আসামীর বিরুদ্ধে রিমান্ডের আবেদন মঞ্জুর হলে রিমান্ডে আসামীর মুখ খুলতে পারে বলে এসআই নাছির প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

বিকাল ৫টার পর লাশ ময়না তদন্ত করে এলাকায় নিয়ে আসেন স্বজনেরা। তারপর গোসল দিয়ে ময়মনসিংহের ধোবাউড় থানায় মোর্শেদার নিজ গ্রামে নিয়ে দাফন সম্পন্ন করা হয়।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের দালাল অনিয়ম, দূর্নীতি ও বিশৃঙ্খলা

4
আবির অনুতোষ, বাংলাদেশ নিউজ২৪
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের আউট ডোর রিপোর্ট ডেলিভারি শাখায় অনিয়ম, দূর্নীতি ও বিশৃঙ্খলা।
১৬/০৩/২০২১ তারিখ রোজ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে রিপোর্ট ডেলিভারি শাখায় রোগী ও রোগী অভিভাবক সকলে শৃঙ্খলার সাথে লাইনে দাঁড়িয়ে রিপোর্ট নিচ্ছে। কিন্তু এরকম পরিস্থিতিতে কিছু অসাধু অর্থ লোভী দালাল অর্থের বিনিময়ে নিয়ম ভঙ্গকরে রিপোর্ট এনে দিচ্ছে। এতে লাইনে দাড়ানো ভুক্তভোগীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে এবং প্রতিবাদ করে। প্রতিবাদ করায় অর্থ লোভী দালাল তার ওপর চড়াও হয় এবং মারধর করার প্রচেষ্টা করে। তখন সেই স্থানের লোকজন প্রতিবাদ করলে অর্থ লোভী দালালরা পিছু হটে সাময়িক সময়ের জন্য। একজন ভুক্তভোগী বাংলাদেশ নিউজ২৪ এর সংবাদ প্রতিনিধির কাছে জানান এক ব্যাক্তি বারবার এসে সিরিয়াল ভেঙ্গে রিপোর্ট নিয়ে যাচ্ছে। তাদের কাছেও প্রস্তাব দেয় অর্থের বিনিময়ে রিপোর্ট নেওয়ার কথা। কিন্তু তারা রাজি হননি। তারা লাইনে দাড়িয়েই রিপোর্ট নিবেন। পরিচয় জানতে না পেরে সংবাদ প্রতিনিধির কাছেও এরকম প্রস্তাব দেন, প্রস্তাবে বলেন ২০০ টাকা দিলে রিপোর্ট জরুরী ভাবে বের করে দিচ্ছি। আবার সংবাদ প্রতিনিধির ক্যামেরায় ধরা পরে আনসার বাহিনীর একজন এ কাজে লিপ্ত থাকতে। অন্যদিকে একজন বয়স্ক স্টাফ, ১৫ বছর বয়সের রিসিপ্ট হাতে রিপোর্ট নিতে দাড়ান। তখন প্রতিবাদী হয়ে ওঠে ভুক্তভোগীরা সেখানে ক্যামেরা ধরলে আনসার বাহিনীর কর্মকর্তা বাধাপ্রদান করে ও অর্থ লোভী দালালকে নির্দোষ দাবি করে। এতে কথা কাটাকাটি হয় সংবাদ প্রতিনিধির সাথে আনসার বাহিনির লোকের সাথে। পরিচয় জানার পর অর্থ লোভী দালাল এর পক্ষ নিয়ে তাকে রক্ষা করতে মরিয়া হয়ে ওঠে আনসার বাহিনী। এই অনিয়মের হাত থেকে মুক্তি ও দালাল মুক্ত হাসপাতাল কামনা করেন ভুক্তভোগীরা।

মিরপুরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদকালে কয়েক দফায় সংঘর্ষ!

0

ফরহাদ হোসেন রানা, ষ্টাফ রিপোর্টার

রাজধানীর মিরপুরে পুরো সড়ক ও ফুটপাত দখল করে ব্যবসা করে আসছিল কয়েকটি সুবিধাবাদী সিন্ডিকেট মহল। সেই অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদকালে পুলিশের সাথে দফায় দফায় সংঘর্ষ বাধে।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) অভিযান চালাতে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট এ.এস.এম আজম ও পুলিশের পাশাপাশি রাজনৈতিক কর্মকর্তারা সহযোগীতা করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তরের মেয়র আতিকুল ইসলাম, উত্তরের স্বেচ্ছা সেবকলীগের সভাপতি ইসহাক হোসেন ইসহাক, এজাজ আহমেদ স্বপন, আবদুল ওয়ালিদ সুজন, ফরহাদ হোসেনসহ রাজনৈতিক অন্যান্য অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মীরাও কঠোর ভুমিকা পালন করেন।

সংঘর্ষের এক পর্যায়ে ছাত্রলীগের দুই নেতাকর্মীর আহতের খবর পাওয়া যায়। ব্যবসায়ীরা সংঘবদ্ধ হয়ে ইটপাটকেল ছুড়ছলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য পুলিশ প্রথমে কাঁদানে গ্যাস ও পরে রাবার বুলেট ছুড়েন। পরে পরিস্থিতি সামাল দিতে আরো পুলিশের সদস্য মোতায়েন করা হয়। উচ্ছেদের আগে ডিএনসিসির পক্ষ থেকে নোটিশ করা হলেও তারা কোনো কর্নপাত করেনি। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় মিরপুর ১১-এর এভিনিউ-৪ (পল্লবীতে) অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে নামে ডিএনসিসি। সেখানে নিউ সোসাইটি মার্কেট ও মোহাম্মদীয়া মার্কেটের সামনে পুরো সড়ক জুড়ে থাকা অবৈধ দোকানপাট ভাঙতে চায় ডিএনসিসি।

অবৈধভাবে মুল সড়ক ও ফুটপাত দখল করে হাজার হাজার দোকান বসে। ফলে ভাষানী মোড়ে সব সময়ই তিব্র যানজট লেগেই থাকতো। সড়ক থাকলেও যানবাহন চলাচল ওই সড়কে বন্ধ ছিলো। অবৈধ স্থাপনার কারনে প্রতিদিন ছোট-বড় দুর্ঘটনার সম্মুখীন হতে হতো পথচারিদের। দৈনিক লাখ লাখ টাকার চাঁদা কালেশন হতো ওই দোকানগুলো থেকে। বিহারীদের নেতারা এই সড়ক ও ফুটপাত পরিচালিত করে বছরে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিতো। আজ বিপুলসংখ্যক পুলিশসহ ডিএনসিসির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে শুরু হয় উচ্ছেদ অভিযান।

একপর্যায়ে অবৈধ দখলদাররা প্রতিরোধ গড়ে তোলে। ফুটপাতের ওপর থাকা একটি টিনশেড দোকান বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দিলে দখলদাররা সংঘবদ্ধ হয়ে অভিযান টিমের ওপর হামলা চালায়। একপর্যায়ে তারা ঢিল ছুড়তে থাকলে পুলিশসহ উচ্ছেদ অভিযানে থাকা লোকবল পিছু হটে।

পরে আবার উচ্ছেদ অভিযান শুরু করতে চাইলে সংঘর্ষ বেধে যায়। এভাবে দফায় দফায় সংঘর্ষ চলতে থাকে। খবর পেয়ে বেলা সোয়া ১১টার দিকে ডিএনসিসির মেয়র আতিকুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সিটি কর্পোরেশন অঞ্চল ২-এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এএসএম শফিউল আজম অভিযানে নেতৃত্ব দেন। স্থানীয়রা বলেন, এই সড়ক দখল মুক্ত হলে হাজার মানুষ নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারবে। চুরি ছিনতাই কমবে সকল ধরনের যানবাহন ও চলতে পারবে। এখানে বড় একটা মাদকের সিন্ডিকেটের আখড়াও ধ্বংস হয়েছে বলে জানা যায়।

ঝিনাইদহের সাবেক দুই সেটেলমেন্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

0
ঝিনাইদহের সাবেক দুই সেটেলমেন্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

ঝিনাইদহে একজনের জমি অন্যজনের
নামে রেকর্ড দেওয়ার অভিযোগ
স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহঃ
অবৈধ আর্থিক সুবিধা নিয়ে একজনের জমি অন্যের নামে রেকর্ড করে দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে ঝিনাইদহের সাবেক দুই সেটেলমেন্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। জমি উদ্ধার ও মালিকানা ফিরে পেতে প্রকৃত জমির মালিকরা বৈধ কাগজপত্র নিয়ে এখন পথে পথে ঘুরছে। প্রাপ্ত অভিযোগে জানা গেছে, ঝিনাইদহ শহরের হামদহ মৌজার ১৬৮৮ ডিপি খতিয়ানে মাঠ জরিপে যথাক্রমে ৩৭৪৮, ৩৭২৫, ৩৭২৪, ৩৭১৭ ও ৩৭০৮ দাগে সর্বমোট ১০৬.৮৬ শতক জমি রেকর্ড হয় হামদহ এলাকার মরহুম মকবুল হোসেনের নামে। মাঠ জরিপের পর ঝিনাইদহ সেটেলমেন্ট অফিসে ৩০ ও ৩১ ধারা শুরু হলে ঝিনাইদহ শহরের ভুটিয়ারগাতি, হামদহ ও কালিকাপুরের কতিপয় ভুমিদস্যু ও প্রভাবশালীরা উক্ত জমির রেকর্ড কেটে নিতে মরিয়া হয়ে ওঠে। সুত্রমতে তৎকালীন ঝিনাইদহ সেটেলমেন্ট অফিসের কর্মকর্তা মোস্তফা কামাল ৩৭২৫ দাগে ৩৩ শতক জমির মধ্যে ৩ শতক কালিকাপুরের আব্দুল গনি জোয়ারদারের ছেলে বাবুল জোয়ারদার নিজ নামে শুনানী কার্যক্রম সম্পন্ন করেন। এরমধ্যে ৩৭১৭ দাগের ১৬.৫০ শতক জমি বিনা নোটিশে সেটেলমেন্ট কর্মকর্তা মোঃ মতিয়ার রহমান ভুটিয়ারগাতি গ্রামের আনসার আলী জোয়ারদারের ছেলে আবুল কালাম, আলমগীর কবীর, নজরুল ইসলাম ও ফিরোজ কবীরের নামে রেকর্ড করে দেন। এই মামলায় মকবুল হোসেনের ওয়ারেশ হিসেবে জনৈক বাবু নাকে এক ব্যক্তিকে বিবাদী দেখানো হয়েছে। ২০০৬ সালের ১৭ মে তারিখে ঝিনাইদহ পৌরসভা থেকে ১৭০৫ নং স্মারকে মকবুল হোসেনের যে ১২ জনের নামে ওয়ারেশ কায়েম সাটিফিকেট ¤েওয়া হয়েছে তাতে বাবু নামে কেও নেই। এখন প্রশ্ন উঠেছে কে এই বাবু ? ২০১৫ সালের ১৮ মে তারিখে ৫টি হাল দাগের জমির রেকর্ড সংশোধনের জন্য আবেদন করেন মকবুল হোসেনের ওয়ারেশগন। ৩১ ধারায় ৩৭২৫ সহ বেশ কিছু দাগের জমি ফিরে পায় মকবুল হোসেনের ওয়ারেশগন। একই ভাবে ৩৭০৮ দাগের ১৬.৩৭ শতক জমির মধ্যে ৩ শতক কেটে হামদহ এলাকার শাহিনুরের স্ত্রী স্মৃতি খাতুন ও ওলিয়ারের স্ত্রী রিনা খাতুনের নামে রেকর্ড করে দেন, যার বাটা দাগ ৩৮১৬ ও ৩৮১৭। সবচে জালিয়াতির কান্ড ঘটানো হয়েছে ৩৭২১ দাগের ৩.৭৫ শতক জমি নিয়ে। তথ্য নিয়ে জানা গেছে এই দাগের জমি জনৈক জাবেদ আলী মাঠ জরিপের আগে ৩ জনের কাছে বিক্রি করে যান। আর খাসে থাকে ৩.৭৫ শতক জমি। জবেদ আলীর মৃত্যুর পর তার ওয়ারেশগন হাল ৩৭২১ দাগ থেকে উক্ত জমি রিনা ও খালেদার কাছে বিক্রি করেন। কিন্তু ৩১ ধারায় রিনা ও খালেদার জমির রেকর্ড দেওয়া হচ্ছে মকবুল হোসেনের হাল ২১০৮ দাগ থেকে ৬ শতক। ৩১ ধারায় মকবুল হোসেনের ওয়ারেশগন উক্ত জমির রেকর্ড সংশোধনের আবেদন করলে সেটেলমেন্ট কর্মকর্তা মোঃ মতিয়ার রহমান ও বায়োজিদ মোস্তফা সব কেসগুলো আমলে নিয়ে নিস্পত্তি করলেও একটি কেস ০৩/০৯/২০১৫ তারিখে ভুমি মন্ত্রনায়ের চিঠির বরাত দিয়ে খারজি করে দেন। অথচ মকবুল হোসেনের পক্ষে রেকর্ড সংশোধনের জন্য আবেদন করা হয় ১৮/০৬/২০১৫। এদিকে মকবুল হোসেনের ওয়ারেশ হিসেবে তার সন্তান নজরুল ইসলাম ঝিনাইদহ সেটেলমেন্ট অফিসে ন্যায় বিচার পাবেন না আঁচ করতে পেরে আগেই তার মামলাগুলো যশোরের জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসে স্থানান্তর করার জন্য আবেদন করেন। একই সাথে তিনি দুদকে আবেদন করেন। বিষয়টি ব্যাপক ভাবে জানাজানি হয়ে পড়লে সে সময় জোনাল সেটেলমেন্ট কর্মকর্তা এমডি আব্দুস সালাম জবাব চেয়ে ১০৭১ স্মারকে ২০১৭ সালের ১১ সেপ্টম্বর তারেিখ পত্র দেন ঝিনাইদহ সেটেলমেন্ট কর্মকর্তা মতিয়ার রহমানের কাছে। নোটিশ দেন শুনানীর জন্য। শুনানীতে উভয় পক্ষ উপস্থিত হন। তবে রহস্যজনক কারণে শুনানীও করা হয়না। এদিকে সেটেলমেন্ট অফিসার মতিয়ার রহমান জোনাল অফিসের চিঠির জবাব না দিয়ে বিচারের নামে প্রহসন করেন। মকবুল হোসেনের জমি কেটে অন্যের নামে দিয়ে যান। অভিযোগ উঠেছে মোটা অংকের টাকা নিয়ে একজনের জমি অন্যজনের নামে রেকর্ড করে দিয়ে চরম দুর্নীতি, অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যাবহার ও সেচ্ছেচারিতার নজীর স্থাপন করেন। এই মহাজালিয়াতির মাধ্যমে একজনের জমি অন্যজনের নামে রেকর্ড করিয়ে দেওয়া হলেও ওই দুই সেটেলমেন্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোন আইনগত ব্যবস্থায় নেওয়া হয়নি। এ ব্যাপারে তৎকালীন ঝিনাইদহ সেটেলমেন্ট কর্মকর্তা (বর্তমান অবসরে) মোস্তফা কামাল মুঠোফোনে জানান, আমিসহ অন্যান্য অফিসারের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হচ্ছে তা সত্য নয়। সঠিক কাগজপত্র দেখেই আমরা রায় দিয়েছি। এখানে কোন স্বজনপ্রীতি বা দুর্নীতি করা হয়নি।

অরণ্য কেয়ার ফাউন্ডেশন নামে একটি প্রতিষ্ঠান সঞ্চয়ের নামে ৫ কোটি টাকা হাতিয়ে চম্পট!

0

স্টাফ রিপোর্টার, বাংলাদেশ নিউজ২৪
‘অরণ্য কেয়ার ফাউন্ডেশন’ নামে একটি প্রতারক প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পরিচালক আনোয়ার হোসেন রানার গ্রেফতার ও সঞ্চয়ের টাকা ফেরতের দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ফাউন্ডেশনের সদস্য ও প্রতারণার শিকার কর্মচারীরা সকাল ১০টার দিকে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলা পরিষদ রোডে এ কর্মসূচী পালন করে। সমাবেশে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন ফাউন্ডেশনের নামে প্রতারণা, অর্থ আত্মসাত ও জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে সমস্ত অফিস গুটিয়ে নেয়া হয়েছে। তারা পরিচালকের গ্রেফতার ও বিচার দাবি করেছে। তাদের ভাষ্যমতে জলবায়ু পরিবর্তন রোধ ও সমাজসেবার নামে কথিত ‘অরণ্য কেয়ার ফাউন্ডেশন’ ঝিনাইদহের শৈলকুপা, হরিণাকুন্ডুসহ ৩ জেলা থেকে ৫ কোটির বেশী টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। গাছের চারা বিতরণ, সেলাই প্রশিক্ষন ও প্রশিক্ষন শেষে বিনামূল্যে সেলাই মেশিন বিতরন আর স্বল্প সূদে দীর্ঘ মেয়াদী লোন এবং বয়স্ক ভাতার কথা বলে ইউনিয়নে ইউনিয়নে সদস্য সংগ্রহ আর সঞ্চয় নেয়া হয়। এ বিষয়ে গণমাধ্যমে তথ্য ভিত্তিক প্রতিবেদন প্রকাশের পর ঝিনাইদহ সমাজসেবা অধিদপ্তর ও গোয়েন্দা সংস্থাসহ সংশ্লিষ্ট অফিসগুলি আইনগত ব্যবস্থা নিবেন বলে জানানো হলেও এখনো অধোরা হয়েছে প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালকসহ কর্মকর্তারা। উল্টো এই চক্রের হোতারা ফাউন্ডেশনের সদস্য ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে মামলার হুমকি ও অভিযোগ করছে। নিবন্ধন বিহীন কথিত অরণ্য কেয়ার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক আনোয়ার হোসেন রানা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছে। উল্লেখ্য সংগঠনটির নির্বাহী পরিচালক আনোয়ার হোসেন ওরফে রানা মন্ডল ঝিনাইদহের হরিনাকুন্ডু উপজেলার রঘুনাথপুর ইউনিয়নের মান্দিয়া গ্রামের মৃত আইজুদ্দিন মন্ডলের ছেলে।

ঝিনাইদহে সড়ক দুর্ঘটনায় পৃথক স্থানে নিহত ২ আহত অন্তত: ২১ জন।

1
ঝিনাইদহে সড়ক দুর্ঘটনায় পৃথক স্থানে নিহত ২ আহত অন্তত: ২১ জন।

স্টাফ রিপোর্টার, বাংলাদেশ নিউজ২৪
পৃথক পৃথক স্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় ঝিনাইদহের দুইজন নিহত হয়েছে। যশোরে যাত্রীবাহী বাস উল্টে দুইজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ২১জন। শনিবার বিকেলে ৩টার দিকে যশোর-মাগুরা মহাসড়কে হুদোরাজাপুর এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা উপজেলার বিয়াশপুর গ্রামের শারাফাত হোসেনের ছেলে শাহীন (১৫) ও মণিরামপুরের সিংড়া ইসমাইল হোসেনের ছেলে মাহাদী হাসান (১৮)। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৫জনের অবস্থা আংশকাজনক। যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহতরা হলেন- যশোরের তামিম হোসেন (২৫), শিমুল (৩২), আবদুল গফুর (৬০), আরাফাত হোসেন (৩), ইশান (৪), মনোয়ারা বেগম (৩৪), মাগুরার রবিউল ইসলাম (৪৫), আজিজ হোসেন (৫৭), নবীরুন নেছা (৪৪), রবীন্দ্রনাথ (২৮), আকিদুল (২৮), ভানু (৫৪)। যশোর ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন মাস্টার শহিদুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনাকবলিত লোকাল বাসটি মাগুরা থেকে যশোরের উদ্দেশে যাচ্ছিল। বাসটি সদর উপজেলার হুদোরাজাপুর নামকস্থানে পৌঁচ্ছালে অপর একটি গাড়িকে পাশ দিতে গিয়ে রাস্তার নিচে নেমে যায়। এরপর চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে বাসটি উল্টে রাস্তার পাশে পড়ে যায়। স্থানীয়দের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরাও উদ্ধার কাজে অংশ নেয়। বাসটিতে ৩০ থেকে ৩৫জন যাত্রী ছিল। আহতদের সবাইকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. এনাম উদ্দিন জানান, দুর্ঘটনায় আহতদের মধ্যে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যরা চিকিৎসাধীন আছে। পাঁচজনের অবস্থা আশংকাজনক। এদিকে বগুড়ায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় সাগর (৪৫) নামের একজন ট্রাক চালক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বগুড়া-ঢাকা মহাসড়কে বগুড়া শহরতলীর ফুলদীঘি নামক স্থানে দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত সাগর ঝিনাইদহ জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার বার বাজার মদনপুর গ্রামের মোশারফ হোসেনের ছেলে। জানা গেছে, সাগর ট্রাক নিয়ে বগুড়ার ফুলদীঘিতে গতকাল বৃহস্পতিবার মালামাল নিতে আসেন। মালামাল পেতে দেরি হওয়ায় হেলপারসহ তিনি মহাসড়কের পার্শ্বে ট্রাক সাইড করে অবস্থান করছিলেন। শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সাগর ট্রাকে চালকের আসন থেকে নিচে নামছিলেন। তিনি মহাসড়কে নামার সঙ্গে সঙ্গে একটি মোটরসাইকেল তাকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি মহাসড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ৮টায় তিনি মারা যান। দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক হোসাইন (২২) গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকেও একই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজে হাসপাতাল (ছিলিমপুর) পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) আজিজ মন্ডল বলেন, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে রাখা হয়েছে এবং নিহতের পরিবারের কাছে সংবাদ পাঠানো হয়েছে।

শৈলকুপায় ৭ দিন পর কৃষকের লাশ মিলল বাড়ির পাশে!

0
শৈলকুপায় ৭ দিন পর কৃষকের লাশ মিলল বাড়ির পাশে!

স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহঃ

শৈলকুপার রিপন নিখোঁজের পর তার মেজ ভাই পলাতক কেন?
ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার চররূপদাহ গ্রামে রিপন হোসেন (৩৫) নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। লাশটি বাড়ির পাশের একটি ডোবায় মাটিচাপা দেওয়া অবস্থায় বুধবার সকালে উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিপনের মেজ ভাবি ফরিদা পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। পলাতক রয়েছে মেজ ভাই নাননুু। নিহত রিপন হোসেন নিত্যানন্দপুর ইউনিয়নের চররূপদাহ গ্রামের মৃত বারিক বিশ্বাসের ছেলে। গ্রামবাসি জানায়, বুধবার সকালে বাড়ির পাশের একটি ডোবায় লাশের হাত দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ এসে মাটিচাপা দেওয়া অবস্থায় অর্ধ-গলিত রিপনের লাশ উদ্ধার করে। হত্যার কারণ সম্পর্কে প্রাথমিক ভাবে পুলিশ ধারনা করছে, রিপনের মেজ ভাবি ফরিদার সঙ্গে তার পরোকিয়া থাকতে পারে। এ কারণে মেজ ভাই নাননু তাকে হত্যা করতে পারে। ঝিনাইদহের শৈলকুপা সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলাম জানান, গত ৯ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় মাঠের ধান পাহারা দিতে গিয়ে নিখোঁজ হয় রিপন। মাঠেই পড়ে ছিল মোবাইল ও গায়ের চাদর। এ ঘটনায় পরদিন নিহতের দুলাভাই পদ্মনগর গ্রামের নজরুল ইসলাম শৈলকুপা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেন। রিপন নিখোঁজ হওয়ার পর দিন থেকেই মেজ ভাই নাননু গাঢাকা দেয়। দুলাভাই নজরুল ইসলাম জানান, তার শ্যালক রিপন দীর্ঘদিন মালেশিয়ায় ছিল। দুই বছর আগে দেশে ফিরে চাষাবাদ শুরু করেন। গত বুধবার জমির ধান পাহারা দিতে গিয়ে নিখোঁজ হন। তার জমিতে মোবাইল ফোন ও চাদর পড়ে থাকতে দেখে আমরা থানায় জিডি করি। সহকারী পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলাম জানান, হত্যার ক্লু-উদঘাটন ও এর সাথে জড়িতদের গ্রেফতারে কাজ চলছে। আশাকরি দ্রæতই দোষিরা গ্রেফতার হবে।

বিজয় দিবসে ঝিনাইদহ স্মৃতি সৌধে শহীদদের স্মরণে পুষ্প মাল্য অর্পণ।

0
বিজয় দিবসে ঝিনাইদহ স্মৃতি সৌধে শহীদদের স্মরণে পুষ্প মাল্য অর্পণ।

জাহিদুর রহমান তারিক, ষ্টাফ রিপোর্টার,
ঝিনাইদহে যথাযোগ্য মর্যাদায় বিজয় দিবস পালিত হচ্ছে। এ উপলক্ষে বুধবার সকাল সাড়ে ৮ টায় প্রেরনা একাত্তর চত্তরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সঙ্গীতের সাথে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণ করা হয়। এরপর স্মৃতি সৌধে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, বিচার বিভাগসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের পক্ষ থেকে শহীদদের স্মরণে পুষ্প মাল্য অর্পণ করা হয়। এছাড়াও দিন ব্যাপী বিজয় দিবস উপলক্ষে দোয়া মাহফিল সহ নানা কর্মসুচি পালিত হচ্ছে।

১৬ ডিসেম্বর জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পন করেন প্রধানমন্ত্রী

0
১৬ ডিসেম্বর জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পন করেন প্রধানমন্ত্রী

আবির, রিপোর্টার, বাংলাদেশ নিউজ২৪

১৬ ই ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে স্বাধীন হয় বাংলাদেশ। ইতিহাসে এমন স্বাধীনতার গল্প আর নেই। দীর্ঘদিন ধরে বাঙালীদের স্বাধীনতা কেড়ে নিয়ে পরাধীনতায় রাখতে চেয়েছিল পাকিস্তান। কিন্তু তারা সফল হতে পারে নি। আর সফল হওয়া সম্ভব না। কারন বাঙালী জাতি বীরের জাতি। তারা কখনই নিজের স্বাধীনতা ক্ষুন্ন করতে শিখেনি। স্বাধীনতা অর্জন ও রক্ষার্থে জীবন আর রক্ত দিতে সদা সর্বদা প্রস্তুত। এই স্বাধীনতা অর্জন করতে দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ করতে হয়েছে বীর বাঙালীদের। যা মুক্তিযুদ্ধ নামে ইতিহাসে পাতায় লিপিবদ্ধ হয়ে আছে। এই মুক্তিযুদ্ধে দিতে হয়েছে হাজারও রক্ত, হাজার জীবন, হাজারও মা বোনের সম্ভ্রম। বাংলাদেশের এই স্বাধীনতা ত্রিশ লক্ষ প্রাণের ও পাঁচ লক্ষ মা বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে। আজ বিজয় দিবসে সেই সব বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনাদের যথাযথ সম্মান ও শ্রদ্ধাঞ্জলি দেওয়া হয়। জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পন করেন প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি, সংসদ সদস্য, রাজনৈতিক দল, আওয়ামী লীগ ও আওয়ামী লীগের অংগসংগঠন, একাডেমি, সোনালী ব্যাংক, ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। তারা ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি সম্মান জানান ও বিজয় দিবস উজ্জাপন করেন। সম্মান প্রদর্শনের পর তারা বিবৃতিতে বলেন মুক্তযোদ্ধারা তাদের জীবনের বিনিময়ে স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন তা ভোলার নয়। তাই আমরা এই স্বাধীনতা ধরে রাখতে প্রানপন চেষ্টা করে যাব। আবার গণসংহতি থেকে বিবৃতিতে বলেন এই স্বাধীন বাংলাদেশে গনতান্ত্রিক ও শাসনতান্ত্রিক ব্যাবস্থার পরিবর্তন আনা দরকার। সরকার নির্বাচনে যে জবাবদিহিতা থাকা দরকদর তা কমে গেছে। আর গনসংহতি সে দিকেই আন্দোলন সংগ্রাম করে চলছে।