শুক্রবার, নভেম্বর ২৭, ২০২০
Home Blog

একটি শোক সংবাদ

0
শোক সংবাদ

স্টাফ রিপোর্টার: মোঃ ফরহাদ হোসেন রানা
আজ দিবাগত ২৩/১১/২০২০ইং রোজ সোমবার সকাল ৮.৪৫ ঘটিকায় ইসহাক মিয়া (সভাপতি বাংলাদেশ আওয়ামি সেচ্ছা সেবক)  উনার মা আছিয়া বেগম   হাসপাতালে প্রায় ১০ দিন চিকিৎসারত অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেন (ইন্নানিল্লাহি….. রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৬ বছর। তিনি দির্ঘ দিন বার্ধক্য জনিত কারণে ভুগছিলেন। আজ  বাদ জোহর উত্তর ইব্রাহীমপুর বউ বাজার সংলগ্ন কলোনী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে

উনার জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত জানাজায় উপস্থিত ছিলেন জনাব হাবিব হাসান মাননীয় সংসদ সদস্য ঢাকা-১৮, এসএম মান্নান কচি, গাজী মেজবাউল হোসেন মাচ্ছু, মোবাশ্শের চৌধুরী, আনিসুর রহমান নাঈম, আব্দুল ওলিদ সুজনসহ সমাজের সর্বস্তরের জনগন, জানাজা শেষে মরহুমাকে উত্তর ইব্রাহীমপুর মুন্সী বারি সড়কে তাদের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

নিজের নামের জন্য নয় গরীবের জন্য ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছে একটি সংস্থা

0
নিজের নামের জন্য নয় গরীবের জন্য ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছে একটি সংস্থা

স্টাফ রিপোর্টার : মোঃ ফরহাদ হোসেন রানা
আজ ২৩/১১/২০২০ইং  দিবাগত সোমবার সকাল ৯.০০ ঘটিকার সময় মিরপুর- ২নং সেকশনে ন্যাশনাল বাংলা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে গরীব দুস্থ্যদের মাঝে ত্রান সামগ্রী, মাস্ক, ফেস ফিল্ট বিতরণ করা হয়। প্রায় ২ শতাধিক নারী, পুরুষ ও বয়বৃদ্ধদের মাঝে এই সমস্ত ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন জনাব আব্দুল ওলিদ সুজন, মোঃ আল আমিন, মাহবুবল আলম, মোঃ ফরহাদ হোসেন (রানা) দাতা সংস্থার লোকজন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক থাকা তাদের পরিচয় প্রদান করা মিডিয়ার জন্য সম্ভব হয়ে উঠেনি। সংস্থাটির কর্মকর্তা বলেন আমরা গরীবের জন্য ত্রানের ব্যবস্থা করেছি। নিজেদের নামের জন্য নয় ।

কেপিএল এর চার টিমের প্লেয়ার বিটস-২০২০

0
কেপিএল এর ৪ টিমের প্লেয়াআর বিটস-২০২০

ফরহাদ হোসেন রানা, বাংলাদেশ নিউজ২৪

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের জন্ম শত বার্ষিকী উপলক্ষে কেপিএল এর চার টিম তথা ঢাকা এলিভেন, রংপুর রেনেগেট্স, বাইকারস্ স্কয়ার ও থান্ডার বয়েজ এর খেলোয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয় একটি আসরের মাধ্যমে। যেখানে রেজিষ্ট্রেশন করেছেন ৭০জন খেলোয়ার। প্রজেক্টরের মাধ্যমে প্রত্যেক খেলোয়ারের ছবি তুলে ধরলেই হাকানো হচ্ছে খেলোয়ারের মূল্য। আনন্দ আর উল্লাসে ভরপুর আসরের উপস্থিত নেতৃবৃন্দ ও সদস্যগণদের। ঢাকার মিরপুর-২নং ষ্টেডিয়ামের ভিআইপি গেইটের বিপরীত পার্শ্বে ৬নং রোডে এই আয়োজন করা হয়। প্রতিটি টিমের বাজেট নির্ধারণ করা হয় ১০ লক্ষ টাকা করে। এই কেপিএল খেলাটি অনু্ষ্ঠিত হবে আগামী ২৬ ডিসেম্বর। খেলার মাঠ হিসাবে প্রতিবারের মতই এবারও থাকছে মিরপুর ন্যাশনাল বাংলা উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ। বাধ্যগত করা হয়েছে ৪০ উর্ধ্ব অন্তত ২জন খেলোয়ার। প্রতি বছরের শীতকে স্বাগত জানিয়ে এই আয়োজনটি করা হয় খুবই গুরুত্বের সাথে। তবে এবার একটু আগেই আয়োজিত হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান আয়োজক মোঃ সুজন।

 

এটা পরিষ্কার চুরির ভোট ছিল

0
এটা পরিষ্কার চুরির ভোট ছিল

নির্বাচনের দিন থেকে ভোট কারচুপির অভিযোগ করে আসছেন ট্রাম্প। যদিও এখন পর্যন্ত এমন অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেননি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। কিন্তু নির্বাচনের ফলের বিপক্ষে সোমবার আইনি লড়াইয়ে নামবেন বলেও তিনি জানান।

রোববার রাতে দেয়া এক টুইট পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা মনে করি এ লোকগুলো চোর। যন্ত্রগুলো সব দুর্নীতিগ্রস্ত। এটা চুরির নির্বাচন। ব্রিটেনের সেরা ভোট বিশেষজ্ঞ বলেছেন যে, এটা পরিষ্কার চুরির ভোট ছিল। এ কারণে কিছু রাজ্যে বারাক ওবামাকেও টপকে গেছেন বাইডেন।’ টুইটে তার আরও দাবি, ‘পার্থক্যটা সেখানেই গড়ে দিয়েছে যে, ওরা যা চুরি করতে চেয়েছিলেন সেটা করেছে।’ তবে ট্রাম্পের এমন সব অভিযোগ একেবারেই পাত্তা দিতে নারাজ বাইডেনের ডেমোক্র্যাট শিবির।

ভোট গণনায় অনেকটা পিছিয়ে পড়ার পর থেকে ট্রাম্প নানাভাবে হুঙ্কার ছেড়েছেন। ভোট চুরির অভিযোগের পাশাপাশি হঠাৎ গণনা বন্ধ করার মতোও আর্জি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে তার শিবির। অবশ্য সেই অভিযোগের আর্জি মেনে নেননি আদালত। জর্জিয়ায় যখন হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছিল তখনই জয়ের আশায় পুনর্গণনা করা হয়। তাতেও জিততে পারেননি ট্রাম্প। বারবার জেতার আশায় একাধিক পদক্ষেপ নিলেও তার কথা কেউ শোনেননি। অগত্যা, মেজাজ হারান ট্রাম্প।

ভোট গণনার পর বাইডেনের ঝুলিতে একের পর এক অঙ্গরাজ্য যোগ হতে থাকার পর থেকে ‘ভোটচুরি’র অভিযোগ তুলে সরব হন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এমনকি আদালতে পর্যন্ত টেনে নিয়ে যান পুরো বিষয়টিকে। আদালত হতাশ করলেও এখনও নিজের অবস্থানে অনড় তিনি। কোনোভাবেই প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা ছাড়তে তিনি নারাজ। আর তাই ফের ‘ভোট চুরি’র অভিযোগ তুলেছেন ডেমোক্র্যাটদের বিরুদ্ধে।

এদিকে, বাইডেনের কাছে পরাজয়ের পর প্রথমবারের মতো একটি রেডিও শোতে কথা বলতে যাচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। টুইট বার্তায় এমন খবর তিনি নিজেই জানান। স্থানীয় সময় সোমবার রাত ৮টায় মার্ক লেভিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে নির্বাচনে ডাকযোগে ভোট কারচুপির অভিযোগ নিয়ে কথা বলবেন ট্রাম্প।

জো বাইডেনের প্রচার উপদেষ্টা সাইমন স্যান্ডার্স জানান, স্থানীয় সময় রোববার পর্যন্ত ট্রাম্প শিবির বা হোয়াইট হাউস থেকে জো বাইডেনের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করা হয়নি। হোয়াইট হাউস থেকে বিজয়ীকে অভিনন্দন জানানোর প্রথা এবার আদৌ বজায় থাকবে কি না, নিশ্চিত করে সেটা কেউ বলতে পারছে না। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প পরাজয় মেনে নিয়ে বাইডেনকে অভিনন্দন জানাবেন- এমন আশা করা যাচ্ছে না। বরং তিনি আইনি পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছেন; সুপ্রিম কোর্টে যাবেন বলেও জানিয়েছেন।

মনে হচ্ছে, তিনি পানি আরও কিছুটা ঘোলাটে করার চেষ্টা করবেন। ট্রাম্পের হাতে আছে দুই মাসের আর কিছু বেশি সময়। এর মধ্যে তিনি প্রশাসনের কয়েকজনকে বরখাস্ত করতে পারেন। তার সমর্থকদের খুশি করতে কিছু নির্বাহী আদেশও জারি করতে পারেন। সাউথ ক্যারোলাইনা থেকে নির্বাচিত কংগ্রেসম্যান জেমস ক্লাইবার্ন বলেন, একজন ব্যক্তির চেয়ে দেশ অনেক বড়। গণতন্ত্র এখন হুমকির সম্মুখীন বলে তিনি রিপাবলিকান পার্টিকে এগিয়ে আসার জন্য আহ্বান জানান।

Collection Prothom-alo

প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্যানেল প্রত্যাশীদের আমরণ অনশন

0
প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্যানেল প্রত্যাশীদের আমরণ অনশন
Abier Anutosh Bishwas
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ২. ১৫ মি. প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১৮ তে উর্ত্তীর্ণদের অপেক্ষমান তালিকা হতে নিয়োগ প্রদান এবং প্যানেল পদ্ধতি প্রবর্তনের দাবিতে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্যানেল প্রত্যাশী কমিটি- ২০১৮ জাতীয় প্রেশক্লাবের সামনে শান্তিপূর্ণ অবস্থান করেন। কর্মসূচির আজ ২৬ তম দিন সেই সাথে আমরণ অনশনের ১৭ তম দিন। অনশনকারীরা অনশণকালে জানান, প্রাথমিক শিক্ষা হলো একটি দেশের শিক্ষার মূল ভিত্ত। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অদৃশ্য জটিলতার কারণে আজ প্রাথমিক শিক্ষা অনেক পিছিয়ে, যার অন্যতম প্রধান কারণ হল নিয়োগ বাণিজ্য ও নিয়োগের দীর্ঘ সূত্রিতা। প্রমানস্বরূপ ২০১৪ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত মাত্র একটি নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। ২০১৮ সালের নিয়োগ লিখিত পরীক্ষায় ২৪ লক্ষ পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহন করেন। যার মধ্যে ৫৫২৯৫ জন লিখিত পরীক্ষায় উর্ত্তীর্ণ হয় যা অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী মাত্র ২.৩%। এদের মধ্যে প্রায় ৭ হাজার মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে না, বাকী ৪৮ হাজার এর মধ্যে ১৮১৪৭ জনকে সুপারিশ করা হয়েছে যা মোট পরীক্ষাথীর মাত্র ০.৫৬%। এর মধ্য থেকেও কর্মস্থলে যোগদান করেন নি। মাননীয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জনাব জাকির হোসেন স্যার ২০১৮ সহকারি শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করার পর ২৮ ডিসেম্বর ২০১৯ সংসদে দাঁড়িয়ে বলেন “২৮৮৯৩২ টি শূণ্য পদ রয়েছে”। অথচ নিয়োগ বিঙ্গপ্তির ৮ নং ধারায় লেখা ছিল শূণ্য পদের ভিত্তিতে নিয়োগ দেয়া হবে, কিন্তু তা করা হয় নি। অথচ তারা উচ্চশিক্ষিত মেধাবী ৩০ হাজার নিয়োগ থেকে বন্চিত তাই প্যানেল আকারে অবিলম্বে নিয়োগের ঘোষণা চান। তারা তাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালাবেন। আমরণ অনশণের ১৬ তম দিনে এ পর্যন্ত মোট ১৮০ জন অনশনকারী অসুস্থ হয়ে পড়েন ইতোমধ্যে প্রায় ৭৫ জন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। আমরণ অনশন চলাকালে কমিটির বার্তা প্রেরক, মো. আবু হাসান ( সাধারণ সম্পাদক ) ও মো. ইলিয়াস ভুইয়া ( প্রচার সম্পাদক ) বাংলাদেশ নিউজ ২৪ এর কাছে এই লিখিত বিবৃতি দেন সেখানে শূন্য পদের ভিত্তিতে অপেক্ষমান তালিকা হতে প্যানেল নিয়োগের যৌক্তিকতা বর্ণনা করেন।

মোটর গাড়ীতে ধাক্কা দেওয়াকে কেন্দ্র করে লেফ্টে. ওয়াসিমের উপর সন্ত্রাসী হামলা

0
মোটর গাড়ীতে ধাক্কা দেওয়াকে কেন্দ্র করে লেফ্টে. ওয়াসিমের উপর সন্ত্রাসী হামলা

আবির, বাংলাদেশনিউজ২৪, ঢাকা।

গত ২৫ অক্টোবর, রাত ৭টা ৪৫মি. রাজধানীর নীলক্ষেত হতে বই কিনে মোটর সাইকেলে করে ফিরছিলেন লেফ. ওয়াসিম ও তার স্ত্রী। নীলক্ষেত থেকে মিরপুর রোডের দিকে যাওয়ার সময় কলাবাগান মাঠের কাছেই ল্যাবএইড হাসপাতালের সামনে পৌছালে জ্যামে পড়ে যান তিনি। তখন পেছন থেকে একটি কালো রংগের পাজেরো গাড়ী (যাহার নম্বর: ঢাকা মে্ট্টো-ঘ ১১-৫৭৩৬) ওয়াসিমের মোটর সাইকেলের পেছন থেকে ধাক্কা দিলে ওয়াসিম উক্ত গাাড়ীটিকে উদ্দেশ্য করে নিজের পরিচয় দিয়ে গাড়ীটির ড্রাইভারকে ঈশারা করে একটু থামতে বলেন। তখন ঐ গাড়ী থেকে নেমে এসে গাড়ীর ড্রাইভার এবং তার সহযোগীরা এলোপাথাড়ী কিল ঘুশি মাারতে থাকে। মারতে এক পর্যায়ে ওয়াাসিমের একটি দাঁত পড়ে যায় এবং ভিষণ রক্তাক্ত হন তিনি। ওয়াসিমের স্ত্রীর গাায়ে হাত দিয়ে নির্যাাতন করা হয়েছে বলেও সুস্পষ্টভবাবে জানান ভু্ক্তভোগী। ওয়াসিম নিজেকে লেফ. ওয়াসিম, বাাংলাদেশ সসস্ত্র বাহিনী বলে পরিচয় দিলেও তাকে বেধড়ক মারধর করে সন্ত্রাসী বাহিনীরা। মারার এক পর্যায়ে লোকজন জড়ো হয়ে গেলে এবং সাংবাদিক দেখে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় সন্ত্রাস বাহিনীরা। গাড়ীটি উক্ত স্থানে পড়ে থাকলে স্থানীয় প্রসাশন গাড়ীটি থানায় নিয়ে যান বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা। তবে এক্ষেত্রে ওয়াসিম আইনানুগ ব্যবস্থা নেবেন বলে জানাযায়। গাড়িটি যে থানায় রয়েছে সেখান থেকে গাড়ীর মালিক পক্ষ এবং সন্ত্রাস বাহিনীর পরিচয় পাওয়া যেতে পারে। তবে সে ক্ষেত্রে প্রসাশনিক সহযোগীতা এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারে সুদৃষ্টি থাকলে সন্ত্রাসীরা ধরা পড়বেই এমন মন্ত্রব্য করেছেন স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা।

(ভিডিও ফুটেজ সংগৃহিত রয়েছে, বাংলাদেশনিউজ২৪)

ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে শারদীয় শুৃভেচ্ছা জানালেন মির্জা ফখরুল

0
ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে শারদীয় শুৃভেচ্ছা জানালেন মির্জা ফখরুল

আবির, বাংলাদেশ নিউজ২৪

আজ বিকাল ৫টা ১৫ মিনিটে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মহাসচিব মির্জা ফকরুল আলমগীর হিন্দুসম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসবে অংশ নেন। তিনি বক্তব্যে বলেন জাতীয়তাাবাাদী দলের পক্ষ থেকে জাতি, ধর্ম, বর্ন নির্বিশেষে সর্বজনীন শারদীয় দূর্গা উৎসব উপলক্ষে জানাই শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের লাগাতার অবস্থান কর্মসূচী

0
লাগাতার অবস্থান কর্মসূচী
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের লাগাতার অবস্থান কর্মসূচী

মোঃ ফরহাদ হোসেন রানা, ষ্টাফ রিপোর্টার

অদ্য ১৮ই অক্টোবর রোজ রবিবার সকাল ৭টা থেকে শুরু করে সারাদেশের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র সৃষ্ট পদে কর্মরত দপ্তরী কাম প্রহরীদের রাজস্বখাতে স্থানান্তরের দাবীতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সম্মুখে অবস্থান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে পদযাত্রা কর্মসূচী পালন করেন বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কর্মচারী ঐক্য পরিষদ। বেলা আনুমানিক ১টার দিকে তারা মিরপুর ১০ নম্বর হয়ে বিজয় স্বরণী দিয়ে প্রধান মন্ত্রীর কার্যালয়ে মিছিল নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলে মিছিল মিরপুর ২নম্বর সিটি করপোরেশনের কাছে এলে পুলিশ তাদের মৌখিকভাবে বাধা দিলে তারা তা অমান্য করলে পুলিশ লাঠি চার্জ ও জলকামান ব্যবহার করেন উত্তেজিত পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে আনেন। এতে ছত্রভঙ্গ হয়ে কিছু কর্মী হতাহতের ঘটনা ঘটে এবং আহতদের নিয়ে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়। এ ব্যপারে সংগঠনের আহ্বায়কের সাথে কথা বলে জানা যায় যে, তারা দিবারাত্রী কর্মরত থাকেন শুধুমাত্র একটি আশায়। একদিন তাদেরকে রাজস্বখাতে স্থানান্তর করা হবে। যা সরকার তাদের কথা দিয়েছেন বলে জানালেন কর্মরত দপ্তরী ও প্রহরীদের অনেকেই। চিকিৎসার পর তারা সকলের লাগাতার অবস্থান কর্মসূচীর উদ্যোগ নেন ঢাকা জাতীয় প্রেসক্লাবের সম্মুখে। তাদের এই সিদ্ধান্তের কথা জানালেন বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কর্মচারী ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক।

আঁখি বলেন, ‘ছোটবেলা থেকে কেন যেন এই গানটি আমার অসম্ভব পছন্দের।

0
আঁখি বলেন, ‘ছোটবেলা থেকে কেন যেন এই গানটি আমার অসম্ভব পছন্দের।

মনিতে সারা বছর ব্যস্ত সময় কাটে আঁখির। করোনা সে ব্যস্ততায় লাগাম টানে। লকডাউন ভালো কাটেনি তাঁর। ঘরে বসে টুকটাক গান করেছেন কেবল। এ ছাড়া তেমন কিছু করারও ছিল না। হয়তো এ কারণেই অসুস্থতা পেয়ে বসেছে আঁখি আলমগীরকে। তবে এই সময়ে তিনি সন্তানদের সময় দিয়েছেন। তারা যেন ভেঙে না পড়ে, সে জন্য নিজের অসুস্থতাকে গুরুত্ব দেননি, সন্তানদেরও বুঝতে দেননি কিছু।
লকডাউনে কেমন কেটেছে, সেসব ভাগাভাগি করেন এই শিল্পী। ভিডিও আড্ডায় তিনি চল্লিশ বছর আগে প্রকাশিত পুরোনো গান নতুন করে গাওয়া, নিজের ইউটিউব চ্যানেলে সে গানের সংগীতচিত্র প্রকাশের অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন।

আঁখি আলমগীর

আঁখি আলমগীর

‘শেষ করো না’ শিরোনামে সেই গানটি ২৭ সেপ্টেম্বর আঁখির ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত হয়। শিল্পী জানান, এ গানের সঙ্গে দুজন প্রয়াত বিশেষ মানুষের স্মৃতি রয়েছে। একজন আলাউদ্দীন আলী, অন্যজন জাফর ইকবাল। প্রায় ৪০ বছরের পুরোনো এই গানটি লিখেছিলেন মনিরুজ্জামান মনির। বাংলাদেশ টেলিভিশনের জন্য আশির দশকে গানটি তৈরি করেছিলেন প্রয়াত সংগীত পরিচালক আলাউদ্দীন আলী। গানটি গেয়েছিলেন কিংবদন্তিতুল্য শিল্পী রুনা লায়লা ও অকাল প্রয়াত নায়ক-গায়ক জাফর ইকবাল। জানা গেছে, আলাউদ্দীন আলীর সঙ্গে জাফর ইকবালের এটাই প্রথম গান। এরপর তাঁরা একসঙ্গে আরও অনেক গান করেছিলেন। জনপ্রিয় সেই গানটি এবার একক কণ্ঠে তুলেছেন আঁখি আলমগীর। জে কে মজলিশের নতুন সংগীতায়োজনে তৈরি হলো গানটি। আর গ্ল্যামারাস আঁখিকে ক্যামেরার সামনে রেখে ভিডিও তৈরি করেছেন হাবিব।

আঁখি আলমগীর

আঁখি আলমগীর

আঁখি বলেন, ‘ছোটবেলা থেকে কেন যেন এই গানটি আমার অসম্ভব পছন্দের। এর কথা-সুর সত্যিই অসাধারণ। গানটি আমি গেয়েছি আলী চাচার অনুমতি নিয়ে, তিনি বেঁচে থাকতেই। রেকর্ডিং করেছি লকডাউনের কয়েক দিন আগে। এরপর থেকে তো ঘরবন্দী। এর মধ্যে আলী চাচাও চলে গেলেন। আফসোস, তাঁকে গানটি শোনাতে পারলাম না।’ আক্ষেপ থেকে নতুন সংস্করণের গানটি তিনি উৎসর্গ করেছেন আলাউদ্দীন আলীকে। গানটির শুরুতে শুভেচ্ছাবার্তা রয়েছে আলীকন্যা কণ্ঠশিল্পী আলিফের। তিনি জানিয়েছেন গানের পেছনের গল্প। তিনি বলেন, ‘গানটির পেছনে আমার বাবা–মায়ের দুজনেরই স্মৃতি আছে। গানটি আব্বু মনির চাচার সঙ্গে তৈরি করেছেন।’

আঁখি আলমগীর

আঁখি আলমগীর
সংগৃহীত

এর আগে করোনাকালের অভিজ্ঞতা নিয়ে আঁখি আলমগীর বলেছিলেন, ‘করোনাকাল কেটে গেলে শিগগিরই গানবাজনা হবে না। হাতে গোনা কয়েকজন বাদে গানের জগতের বেশির ভাগ মানুষই কষ্টে থাকবে। শিল্পী, কলাকুশলীদের মধ্যে অনেকে হয়তো অসুবিধার কথা বলতে পারছেন না। তবে আমরা বুঝতে পারছি, অনেকেই এরই মধ্যে সমস্যায় পড়ে গেছেন। আমরা যতই চাকচিক্যের জীবন যাপন করি না কেন, আমরা যা আয় করি, প্রায় পুরোটাই ব্যয় হয়ে যায়। অথচ এটি মানুষ বোঝে না। আমাদের দেশের শিল্পীরা কিন্তু টাকার ওপর ঘুমান না। তাঁরা আয় যেমন করেন, তেমনি খরচও আছে। আর বসে খেলে তো রাজার ভান্ডারও শেষ হয়ে যায়।’

আশা ভোঁসলের সঙ্গে আঁখি আলমগীর

আশা ভোঁসলের সঙ্গে আঁখি আলমগীর

শিল্পীদের দিকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আহ্বানও করেছেন আঁখি। তিনি বলেছেন, ‘এই মহাদুর্যোগ কেটে গেলে শিল্পীদের দিকে সরকারের তাকাতে হবে। সংস্কৃতি অঙ্গনের গুণীজন ও কর্তাব্যক্তিদের এ নিয়ে কথা বলা উচিত। প্রণোদনা আদায়ের পর এটি যেন সঠিকভাবে বণ্টন করা হয়, সে ব্যাপারেও খেয়াল রাখতে হবে। প্রকৃত অর্থে যাঁরা কষ্ট করছেন, তাঁদের কয়েক মাস চালিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। শিল্পীদের পেছনে সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা বাড়াতে হবে। সবাই খেয়াল করলে দেখবেন, এই দুর্যোগে কিন্তু শিল্পীরা ঘরে বসে থাকলেও থেমে নেই। তাঁরা ঘরে বসে গান গেয়ে, কথা বলে মানুষকে সচেতন করে যাচ্ছেন। কেউ নানাভাবে পাশে দাঁড়াচ্ছেন গোপনে বা প্রকাশ্যে। দেশ ও মানুষের প্রতি দায়িত্ববোধের জায়গা থেকেই এমনটা করেন তাঁরা। ভালোবাসা ছাড়া তাঁরা কিন্তু আর কিছু চান না।’

লতা মঙ্গেশকরের সঙ্গে আঁখি আলমগীর

লতা মঙ্গেশকরের সঙ্গে আঁখি আলমগীর

এই দুর্যোগে কিন্তু শিল্পীরা ঘরে বসে থাকলেও থেমে নেই। তাঁরা ঘরে বসে গান গেয়ে, কথা বলে মানুষকে সচেতন করে যাচ্ছেন। কেউ নানাভাবে পাশে দাঁড়াচ্ছেন গোপনে বা প্রকাশ্যে। দেশ ও মানুষের প্রতি দায়িত্ববোধের জায়গা থেকেই এমনটা করেন তাঁরা। ভালোবাসা ছাড়া তাঁরা কিন্তু আর কিছু চান না।

সূত্র: প্রথম আলো

আল্লামা শাহ আহমদ শফীর মৃত্যুতে শোক জানাতে লাখো মানুষের ঢল

0
আল্লামা শাহ আহমদ শফীর মৃত্যুতে শোক জানাতে লাখো মানুষের ঢল

না-ফেরার দেশে চলে গেলেন দেশের শীর্ষ কওমি আলেম, হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী। গতকাল সন্ধ্যায় রাজধানীর গেন্ডারিয়ার আজগর আলী হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তাঁর বয়স হয়েছিল ১০৪ বছর। হাটহাজারী মাদ্রাসায় অবস্থানকালে অসুস্থ হয়ে পড়লে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে তাঁকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গতকাল বিকালে হেলিকপ্টারযোগে ঢাকায় আনা হয়। সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে আজগর আলী হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। আজ বাদ জোহর হাটহাজারী মাদ্রাসাসংলগ্ন কবরস্থানে জানাজা শেষে ২টার দিকে লাশ দাফন করা হবে। আল্লামা আহমদ শফীর মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সমাজের নানা স্তরের মানুষ। হাটহাজারী মাদ্রাসায় বিভিন্ন দাবিতে ছাত্রদের বিক্ষোভের পর বৃহস্পতিবার রাতে মাদ্রাসার শুরা কমিটির সভায় আহমদ শফী মহাপরিচালকের পদ থেকে সরে দাঁড়ান।

ছেলে আনাস মাদানীকে মাদ্রাসার শিক্ষা পরিচালকের পদ থেকে স্থায়ীভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়। প্রবীণ এই ইসলামী চিন্তাবিদের মৃত্যুর খবর পেয়ে আজগর আলী হাসপাতালে ছুটে যান তাঁর শুভানুধ্যায়ীরা। তারা কান্নায় ভেঙে পড়েন। আলেমসমাজে নেমে আসে শোকের ছায়া। শতায়ু আল্লামা আহমদ শফী দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত অসুস্থতার পাশাপাশি ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। অসুস্থতার কারণে এর আগেও কয়েকবার তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছিল। আল্লামা শফী হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির, বাংলাদেশ কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড -বেফাক, সর্বোচ্চ ওলামা পরিষদ বাংলাদেশ, সরকারি স্বীকৃতির জন্য গঠিত হাইয়াতুল উলায়ার চেয়ারম্যানসহ ৩ শতাধিক প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বে ছিলেন। আল্লামা আহমদ শফীর ছেলে মাওলানা আনাস মাদানি জানান, শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে বিকালে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাঁকে ঢাকার আজগর আলী মেডিকেলে নিয়ে আসা হয়। ওখানে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মুফতি ফয়জুল্লাহ জানান, আজ শনিবার বাদ জোহর হাটহাজারী মাদ্রাসায় জানাজা শেষে তাঁর লাশ দাফন করা হবে। তিনি বলেন, প্রবীণ এই ইসলামী চিন্তাবিদের মৃত্যুতে আলেমসমাজে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দেশের বৃহত্তর কওমি মাদ্রাসা চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে অবস্থিত দারুল উলুম মুঈনুল ইসলামের মহাপরিচালক আল্লামা আহমদ শফী ১৯১৫ সালে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পাখিয়ার টিলায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মরহুম বরকত আলী এবং মা মরহুমা মেহেরুন্নেছা বেগম। আহমদ শফীর দুই ছেলে ও তিন মেয়ে। বড় ছেলে মাওলানা মোহাম্মদ ইউসুফ পাখিয়ার টিলা কওমি মাদ্রাসার পরিচালক। ছোট ছেলে আনাস মাদানি হেফাজতে ইসলামের প্রচার সম্পাদক। স্থানীয় মৌলভী আজিজুর রহমানের তত্ত্বাবধানে আল্লামা শফী প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন। এরপর সরফভাটা মাদ্রাসায় ভর্তি হওয়ার মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক লেখাপড়া শুরু করেন। আল-জামিয়াতুল আরাবিয়া ইসলামিয়া জিরি মাদ্রাসায় কিছুদিন লেখাপড়া করার পর ভর্তি হন দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদ্রাসায়। পরে উচ্চ শিক্ষার্থে চলে যান ভারতের দেওবন্দে। ওখানে ফুনুনাতে আলিয়া দাওরায়ে হাদিস, দাওরায়ে তাফসিরের কোর্স করেন। দেওবন্দ থেকে লেখাপড়া শেষ করে যোগদান করেন দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদ্রাসায়। ১৯৮৬ সালে হাটহাজারী মাদ্রাসার মহাপরিচালকের দায়িত্ব নেন। এর পর থেকে ধীরে ধীরে তিনি শীর্ষ কওমি আলেম হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। তাঁর মৃত্যুতে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান শোক জানিয়েছেন। তারা হলেন – জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ, আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের এমপি, মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু, বিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীর চরমোনাই, শিল্পমন্ত্রী অ্যাডভোকেট নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন, পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম, বিকল্পধারার মহাসচিব মেজর (অব.) আবদুল মান্নান এমপি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা ইসমাইল নূরপুরী, মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক, খেলাফত মজলিসের আমির অধ্যক্ষ মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক, মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের, জাকের পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তফা আমীর ফয়সল, ইসলামী গণতান্ত্রিক পার্টির চেয়ারম্যান লায়ন এম এ আউয়াল, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নুরুল ইসলাম, গওহরডাঙ্গা মাদ্রাসার মুহতামিম ও খাদেমুল ইসলাম বাংলাদেশের আমির মুফতি রুহুল আমীন, মহাসচিব মাওলানা শামছুল হক, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমির মাওলানা আতাউল্লাহ হাফেজ্জী, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি মো. সিরাজুল ইসলাম, সেক্রেটারি জেনারেল সালাহউদ্দিন আইউবী, রাবেতাতুল উম্মাহ বাংলাদেশের সভাপতি মাওলানা এনামুল হক মূসা, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আজিজুর রহমান হেলাল, জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টির সভাপতি লিয়াকত হোসেন খোকা এমপি, ইসলামী যুব আন্দোলনের সভাপতি কে এম আতিকুর রহমান, সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মুহাম্মাদ নেছার উদ্দীন, গওহরডাঙ্গা মাদ্রাসার মুুফতি উসামা আমীন, কওমি মঞ্চের চেয়ারম্যান মুফতি মোহাম্মদ তাসনীম, তানজিমুল মুদাররিসিন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা ঝিনাত আলী, খাদেমুল ইসলাম বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আজিজুর রহমান।