অনেক মানুষই রয়েছে যারা রক্তপান করতে ভালোবাসে।

0
169
অনেক মানুষই রয়েছে যারা রক্তপান করতে ভালোবাসে।

ভ্যাম্পায়ার, ড্রাকুলা বা এসব আজব প্রাণীর নাম শুনলেই ভয়ে আঁতকে ওঠাই সাভাবিক। কারণ এসব প্রাণী মানুষের রক্ত পান করে।

ভ্যাম্পায়ার নিয়ে বিভিন্ন সিনেমায় একজন সুস্থ-সতেজ যুবক বা যুবতীর তাজা রক্তের খোঁজে রাতের অন্ধকারে তারা বের হয়। যার রক্ত পান করে সেই ওই একই পথের পথিক হয়ে যায়।

সত্যিকারের এমন ভ্যাম্পায়ার রয়েছে কি না, তা এখনও জানা যায়নি। তবে এ পর্যন্ত ভ্যাম্পায়ার নিয়ে হলিউডে বেশকিছু ভয়ের ছবি তৈরি হয়েছে।

কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞান এক তথ্য উল্লেখ করেছে, যাতে প্রমাণিত হয়েছে যে অনেক মানুষই রয়েছে যারা রক্তপান করতে ভালোবাসে। সেই রক্ত মানুষের না হলেও চলে। কোনও পশুর রক্ত পান করতেও তাদের অসুবিধা হয় না।

কাহিনির ড্রাকুলা রক্ত পান করে বেঁচে থাকার তাগিদে। কিন্তু এসব রক্তপায়ী মানুষের এমন ইচ্ছে একেবারেই শারীরিক বা মানসিক অসুস্থতার লক্ষণ।

‘হেলথলাইন.কম’ নামে এক ওয়েবসাইটের নিউজলেটারে বলা হয়েছে যে, বেঁচে থাকার জন্য যারা রক্ত খায়, তাদের ‘স্যানগুইনারিয়ান’ বলা হয়। আর রক্ত খাওয়ার ইচ্ছেকে বলা হয় ‘রেইনফিল্ডস সিনড্রোম’।

২০১৩ সালে তুরস্কে এক ব্যক্তির খোঁজ পাওয়া গিয়েছিল যিনি বলেছিলেন, তার কাছে রক্ত পান করাটা শ্বাস নেয়ার মতোই জরুরি। তিনি নিজের শরীরের বিভিন্ন অংশে রেজর চালিয়ে রক্ত সঞ্চয় করে তা পান করতেন।

ওই প্রতিবেদনে এক মহিলা সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, তিনি নিজের মুড ঠিক রাখার জন্য প্রতিদিন এক লিটার করে শুয়োরের রক্ত খেতেন।

এখনও পর্যন্ত গবেষকরা সঠিকভাবে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারেননি যে, কেন এই রক্তপিপাসা পায় মানুষের। তবে স্যানগুইনারিয়ানদের মতে, এই তৃষ্ণা শরীরের তুলনায় মনেরই বেশি।

image_pdfimage_printPrint

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here