ঈদ উপলক্ষে সুন্দরবনে আশা পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা

0
49
ঈদ উপলক্ষে সুন্দরবনে আশা পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা
ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাগেরহাটে আগত পর্যটক ও দর্শনার্থীদের বরন করে নেওয়ার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে জেলার অন্যতম পর্যটন স্পট সুন্দরবন ও ষাটগম্বুজ মসজিদ। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাইরে থেকে আশা হাজার হাজার পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা ও পর্যটন-স্পট গুলোতে অবাধে যাতায়াত নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাগেরহাট পূর্ব সুন্দরবন বিভাগ ও জেলা প্রস্তুত বিভাগের পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে নানা উদ্যোগ।
এরই মধ্যে ঈদ উপলক্ষে সুন্দরবনে আশা পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা ও সুন্দরবনের পর্যটন স্পট গুলোতে অবাধ যাতায়াত নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সীমিত করা হয়েছে পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বনরক্ষীদের ছুটি। আর ষাটগম্বুজ মসজিদ, খানজাহান আলীর মাজার, বারাকপুরে অবস্থিত সুন্দরবন রির্সোট সেন্টার, শহরের দশানী পার্ক ও শহরের দড়াটানা নদী সংলগ্ন পৌর পার্কসহ জেলার পর্যটন স্পট গুলোতে পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় করতে নেয়া হয়েছে নানা উদ্যোগ। ষাটগম্বুজ মসজিদ ও খানজাহান আলীর মাজার এলাকাসহ বারাকপুরে অবস্থিত সুন্দরবন রির্সোট সেন্টার, শহরের দশানী পার্ক ও শহরের দড়াটানা নদী সংলগ্ন পৌর পার্ককে পর্যটকদের কাছে আরো আকর্ষণীয় করতে বিভিন্ন আলোক সজ্জার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
বাগেরহাট ষাটগম্বুজ মসজিদের কাষ্টডিয়ান গোলাম ফেরদৌস জানান, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বিশ^ ঐতিহ্য ষাটগম্বুজ মসজিদে দেশি-বিদেশী পর্যটকদের ব্যাপক আগম ঘটে। ঈদের সময় জেলার বাইরে থেকে চোখে পড়ার মত দর্শনার্থীরা এখানে ঘুরতে আসে। এসময় পর্যাটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ২০ সদস্যের একটি টিমসহ জেলা প্রস্তুত বিভাগের পক্ষ থেকে সকল প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।
বাগেরহাট শহরের দড়াটানা নদী সংলগ্ন পৌর পার্কের ক্যান্টিনের এক অংশের মালিক রাজু আহমেদ জানান, ঈদে পৌর পার্কে ঘুরতে আসা ভ্রমণ প্রিয় হাজার হাজার মানুষের আগমন ঘটে। ঈদে আমাদের বেচা কেনাও ভালো হয়। ঈদের তিন দিন পর্যন্ত ঘুরতে আসা মানুষের আগমন অব্যাহত থাকে। এছাড়া দড়াটানা নদীর পাড়ের দৃষ্টিনন্দন দৃশ্য সব সময়ই দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করে। যে কারণে শুধু ঈদে নয় সব সময়ই এখানে ভ্রমণ পিপাষুদের ভীর লেগে থাকে।
বাগেরহাটের পূর্ব সুন্দরবনের করমজল বন্য প্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাওলাদার আজাদ কবির বলেন, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে করমজলে দেশি-বিদেশী পর্যাটকদের ব্যাপক আগমন ঘটে। ঈদের দিন মূলত স্থানীয় লোকজন এখানে ঘুরতে আসে। ঈদের পরদিন থেকে দর্শনার্থী বা পর্যটকের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। প্রতি বছরের মত এবারও ঈদ উপলক্ষে করমজলকে পর্যটকদের কাছে আরো আকর্ষণীয় করে তুলতে বিভিন্ন স্থাপনা মেরামতসহ বিভিন্ন প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।
বাগেরহাট পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মোঃ মাহামুদুল হাসান জানান, ঈদে সুন্দরবনের করমজল, কচিখালী, হিরন পয়েন্ট ও দুবলারচরসহ পর্যটন স্পট গুলোতে আগমন ঘটে হাজার হাজার পর্যটকদের। ম্যানগ্রোভ এই বনে বর্তমানে পর্যটন মৌসুম না হলেও ঈদের ছুটিতে সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের করমজল, শরণখোলা রেঞ্জসহ সন্নিহিত বন লোকালয়ে ট্যুরিষ্ট স্পটগুলোতে আগত দেশী-বিদেশী ইকোট্যুরিষ্টদের নিরাপত্তা ও বন্যপ্রাণিসহ বনজ সম্পদ রক্ষা করা কঠিন হয়ে দাড়ায়। সেকারনে সুন্দরবন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারির ঈদের ছুটি সিমিত করা হয়েছে। একই সাথে সুন্দরবনে পরিচালিত আধুনিক প্রযুক্তি র্নিভর পাহারা ‘স্মার্ট প্রেট্রোলিং’ চলমান থাকবে।
image_pdfimage_printPrint

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here