খুনি হেলালের ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

মিরপুর থানাধীন কাজীপাড়া এলাকায় ঘটলো একটি মর্মান্তিক খুন।স্বামী কর্তৃক স্ত্রী খুন হওয়ার এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় নানান গুঞ্জনও শুরু হয়ে গেছে। লোকমুখে শোনাযায় মৃত মুর্শিদার স্বামী ইতিপূর্বে অনেকবার মারধর করে স্ত্রীকে যখম করে এবং বাসা থেকে চলে যায়। চাচা শ্বশুরসহ অন্যান্য ময়মুরুব্বি বিচার-শালিশ করে আবার দুজনকে মিলিয়ে দিয়ে সংসার টেকানোর চেস্টা করেন। কিন্তু হেলাল অন্য কোন মেয়ের সাথে সম্পর্ক থাকায় স্ত্রী মুরশিদাকে সহ্য করতে পারছিল না। তাই রাতের আঁধারে স্ত্রীকে শ্বাসরুদ্ধ করে হ্ত্যা করে হেলাল। পরে বিষয়টি ধামাচাঁপা দেবার জন্যে পাশের রুম থেকে শ্বাশুড়ীকে ডেকে ফাঁসি বলে চালিয়ে দিতে চেষ্টা করে। শ্বাশুড়ী রাহেলা খাতুন মেয়ের লাশ দেখে চিৎকার দিয়ে কান্না করতে থাকলে এলাকাবাসীরা এগিয়ে আসেন এবং বিষয়টি হত্যা বলে অনুমান করেন। তখন আনুমাানিক ২টার দিকে বাড়ীওয়ালা পক্ষ থানায় ফোন করলে থানা থেকে এস আই নাসির ও এস আই জামিউর এসে খুনিকে ধরে নিয়ে যান। সকাল আনুমানিক ৬:১০ মি. সিআইডি অফিসার সাইফুরসহ আরও ৩জন সহযোগী এসে বিষয়টির বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেন মিরপুর থানার মহিলা পুলিশের মাধ্যমে। তাৎক্ষনিক একটি জিডি হয় যার নং-৪০৬/০৬ এবং পরে একটি মামলা দায়ের হয় যার নং-১২/৬ তারিখ। হত্যার ঘটনাটি শুনতে পেয়ে পেয়ে ছুটে আসেন মিরপুর থানার এসি. মোমেন, ওসি মোস্তাফিজুর রহমান, ওসি অপারেশনসহ অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তা । সুরতহাল অনুলিপি করে এস.আই নাছির লাশটি ময়না তদন্তের জন্য সোহরাওয়ার্দি হাসপাতাল পাঠান এবং মামলা এফ আইআর হলে বাদীকে ২দিন পর কপি নিতে বলেন। বাদী লাশ নিয়ে গ্রামের বাড়ী গিয়ে দাফন শেষ করে আসেন। অন্যদিকে আসামীর বাবা-মা আসামীকে ছাড়িয়ে নেয়ার পায়তারা করে থানার আশেপাশে ঘোরাঘুরি করতে থাকেন। আসামীর বিরুদ্ধে ৭দিনের রিমান চাইলে ২দিন দেয়া হয় বলে জানিয়েছেন এসআই নাসির।

অন্যদিকে কে বা কাহারা মৃত মুর্শিদার মা রাহেলাগং কে ইন্দন দিয়ে বাড়ীর মালিককে ফাঁসানোর জন্য পরামর্শ দেন। দিলে মুর্শিদার মা বাড়ীওয়ালীকে ডেকে বলেন আমার মেয়ে মারা গেছে এইটার বিচার চাই বাড়ীওয়ালারা যদি এইটার বিচার না করে তাহলে আমি এই বাসায় ফাঁসি দিয়ে আত্মহত্যা করে আরেকটি ঘটনা ঘটাবো। এই ঘটনার কথা শুৃনে বাড়ীর মালিক থানায় একটি সাধারণ ডাইরীর জন্য অবগত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার জন্য অনুরোধ করেন। সেই সাথে ইন্দন দাতাদেরকে খুঁজে বের করে যথাপোযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করেন।