ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে

0
13
ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) প্রোগাম নিয়ে আলোচনা করাকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। রবিবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে রাত ২টা পযর্ন্ত ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়।

সংঘর্ষে ১২জন আহত হন। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আলাওল হলের দুটি রুম ভাংচুর করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে একজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে।
আহতরা হলেন- আশীষ, ইমরান, সঞ্চয়, প্রান্ত, আব্দুল মালেক, মোক্তার হোসেন, কাউসারসহ ১২জন।

আহতদের মধ্যে মোক্তার হোসেন, কাউসার বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এইচ এম ফজলে রাব্বি সুজনের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। অন্যদিকে আশীষ, ইমরান, সঞ্চয়, প্রান্ত, আব্দুল মালেক বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, রবিবার দিবারাত ১২টার দিকে আবু সাঈদের অনুসারী নেতাকর্মীরা ও ফজলে রাব্বি সুজনের অনুসারীরা আলাওল হলের গেস্ট রুমে মিটিংয়ের জন্য বসেছিলেন। এমন সময় সিনিয়র-জুনিয়র তর্কাতর্কি শুরু হয়। একপর্যায়ে গেস্ট রুমের ভিতরেই মারামারিতে রূপ নেয়। এ সময় আবু সাঈদের অনুসারী আশীষ ও ইমরান গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে এ খবর ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে পড়লে আবু সাঈদের অনুসারীরা আলাওল হলে এবং ফজলে রাব্বি সুজনের অনুসারীরা সোহারাওয়ার্দী হলে অবস্থান নেয়। পরে উভয় গ্রুপের নেতাকর্মীরা বিপুল পরিমান দেশিয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে দফায় দফায় নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষ, ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় জড়িয়ে পড়েন।
এ সময় আবু সাঈদের অনুসারীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের আলাওল হলে ফজলে রাব্বি সুজনের অনুসারীদের দুটি রুম ভাংচুর করে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারের কর্তব্যরত চিকিৎসক ড. শান্তনু জানান, মারামারির ঘটনায় প্রায় ১০-১২জন আহত হয়েছেন। তাদের হাতে ও মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। আশঙ্কজনক অবস্থায় মোক্তার হোসেনকে চমেক এ পাঠানো হয়েছে। অন্যদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে চবি ছাত্রলীগের সাবেক কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ বলেন, পূর্বনির্ধারিত একটি প্রোগ্রাম নিয়ে আলোচনা করার সময় জুনিয়রদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এ নিয়ে পরবর্তীতে হলে দু-একটি রুম ভাংচুর করা হয়। এ বিষয়টি সমাধান করার জন্য আমরা সিনিয়ররা বসবো।

অন্যদিকে, ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব্বি সুজন বলেন, জুনিয়রদের মধ্যে সমান্য ঝামেলা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় যারা জড়িত তাদের চিহ্নিত করে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়ার জন্য চবি প্রশাসনের কাছে দাবি জানাচ্ছি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here