জন্মদিনে নানা আয়োজনে হুমায়ূন স্মরণ

0
69

একইসঙ্গে সাহিত্য ও শিল্পকে আলিঙ্গন করেছিলেন হুমায়ূন আহমেদ। তাঁর রচিত গল্প ও উপন্যাস আজও আলোড়িত করে পাঠককে। তেমনিভাবে তাঁর সৃষ্ট নাটক ও সিনেমা আঁচড় কাটে দর্শকের হৃদয়ে। এভাবেই সৃষ্টির আলোয় শরীরীভাবে না থেকে উজ্জ্বল তাঁর উপস্থিতি। সোমবার ছিল এই কিংবদন্তি এই সাহিত্য ও শিল্পস্রষ্টার জন্মদিন। শুভ দিনটিতে অগণন অনুরাগী স্মরণ করেছে তাদের সবচেয়ে প্রিয় এই লেখককে। অপার ভালবাসায় উদ্যাপিত হয়েছে দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় লেখকের জন্মদিনটি। তাঁকে নিবেদন করে গণগ্রন্থাগারে অনুষ্ঠিত হয়েছে হুমায়ূন আহমেদের বইয়ের একক মেলা। তেজগাঁওয়ের চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে হয়েছে হুমায়ূন মেলা। সেগুন বাগিচার শিল্পকলা একাডেমির এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হলে মঞ্চস্থ হয়েছে তাঁর রচিত মঞ্চনাটক নৃপতি।

লেখকের জন্মদিন উপলক্ষে তাঁর প্রকাশকরা এবারও যৌথভাবে আয়োজন করেন ‘হুমায়ূন আহমেদের বইয়ের একক মেলা’। শাহবাগের জাতীয় গণগ্রন্থাগার আঙিনায় সোমবার বিকেলে সপ্তাহব্যাপী এ বইমেলার সূচনা হয়। একঝাঁক বর্ণিল বেলুন উড়িয়ে এ মেলার উদ্বোধন করেন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন।

আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের আগেই পাঠকরা ভিড় জমাতে শুরু করে প্রিয় লেখকের বইয়ে সাজানো মেলায় কিনতে। প্রিয় লেখক স্মরণে হলুদ পাঞ্জাবি ও শাড়ি পরে এসেছিল অনেক তরুণ-তরুণী। দেখা যায় নবীন-প্রবীণ পাঠকদেরও। স্টলে স্টলে ঘুরে সংগ্রহ করেছেন না পড়া বইটি। কেউ বা আবার নিজস্ব লাইব্রেরির জন্য সংগ্রহ করেছেন পছন্দের বইটি।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন অবসর প্রকাশনা সংস্থা স্বত্বাধিকারী ও হুমায়ূন আহমেদের ঘনিষ্ঠ বন্ধু আলমগীর রহমান। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে দেশে লোকসঙ্গীত ও সংস্কৃতি নিয়ে নানা ধরনের উৎসব আয়োজিত হচ্ছে ঢাকায়। নিঃসন্দেহে তা অত্যন্ত প্রশংসনীয় উদ্যোগ। হুমায়ূন আহমেদ অনেক আগেই এ দেশের লোকসঙ্গীতকে নগরে এনেছিলেন, শহরের মানুষের কাছে তুলে ধরেছিলেন। অনেক মাধ্যমেই তিনি পথপ্রদর্শকের ভূমিকা পালন করে গেছেন। কথাসাহিত্যিক জ্যোতিপ্রকাশ দত্ত বলেন, হুমায়ূন আহমেদের মতো এত বিপুল জনপ্রিয় সাহিত্যিক আর বাংলাদশে জন্মগ্রহণ করেননি। ভবিষ্যতে তাঁর মতো আর কেউ আসবেন কিনা কে জানে। তাঁর সৃষ্টিশীল রচনা ও সাহিত্য অবলম্বন করে সাহিত্য পত্রিকা প্রকাশ হতে পারে। তাতে নতুন প্রজন্ম তাঁর সম্পর্কে আরও জানতে পারবে।

হুমায়ূন অনুজ লেখক ও কার্টুনিস্ট আহসান হাবীব বলেন, হুমায়ূন আহমেদের কিছু বইয়ে মুদ্রণ ত্রুটি রয়ে গেছে। সেই বইগুলো আবার নতুন করে প্রকাশ করা উচিত। বানান ভুল ও মুদ্রণ ত্রুটি দূর করা উচিত।

image_pdfimage_printPrint

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here