ডুব নিয়ে আমাদের অনেক প্রত্যাশা : তিশা

0
40
মুক্তি পাচ্ছে ‘ডুব’। চোখে যেন ঘুম নেই তিশার। এর জন্য যত ধরনের প্রচারণায় অংশ নেয়া যায় তিশা চেষ্টা করছেন সব প্রচারণায় থাকতে।
বিভিন্ন কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়েও এর প্রচারণায় ব্যস্ত থাকতে হচ্ছে তিশাকে। খুব বেশি প্রয়োজন ছাড়া কাউকে সময়ও দিচ্ছেন না। পুরোটা সময় ব্যস্ত আছেন ‘ডুব’ নিয়ে। এ ছবিতে তিশা অভিনয় করেছেন সাবেরী চরিত্রে।
এ প্রসঙ্গে নুসরাত ইমরোজ তিশা বলেন, ডুব চলচ্চিত্রটির গল্প মানুষের মানবিক সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে এগিয়ে গেছে। নির্মাণের শুরু থেকেই এ চলচ্চিত্র নিয়ে আমার প্রত্যাশা ছিল অনেক। সময় যত গিয়েছে, প্রত্যাশাও যেন তত বেড়েছে। অবশেষে চলচ্চিত্রটি মুক্তি পাচ্ছে। দর্শক কীভাবে নেন সেটিই দেখার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। তবে ভীষণ ভালো লাগত এর প্রিমিয়ার শোটা ঢাকাতে হলে।
ইরফান খানের সঙ্গে অভিনয় কতটা উপভোগ করেছেন?
জবাবে তিশা বলেন, ইরফান খান একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অভিনেতা। তার অভিনয় সম্পর্কে সবারই ধারণা আছে। আমি শুধু এটুকুই বলব, ভীষণ বন্ধুসুলভ একজন মানুষ ইরফান খান। ভীষণ পেশাদারি একজন শিল্পী তিনি। শুটিংয়ের সময় তার কাছ থেকে অভিনয়ের অনেক কিছুই শেখার সৌভাগ্য হয়েছে আমার।
এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে চলচ্চিত্রটি প্রদর্শিত হয়েছে। সেখানে কেমন সাড়া পেলেন?
জবাবে তিশা বলেন, দেখুন এটি বাংলা ভাষার একটি চলচ্চিত্র। তবে সাবটাইটেল করা ছিল। যে কারণে দর্শকের দেখতে সুবিধা হয়েছে। চলচ্চিত্রটি দর্শক দেখার পর আমার ও ফারুকীর সঙ্গে অনেক দর্শক বেশ আগ্রহ নিয়ে কথা বলেছেন। তাই ডুব নিয়ে আমাদের প্রত্যাশা অনেক বেশি।
নিজের চরিত্রে অভিনয় করে কী আপনি সন্তুষ্ট?
উত্তরে তিনি বলেন, ছোট কিংবা বড় পর্দা যেখানেই হোক না কেন, আমি যে চরিত্রে অভিনয় করি সেই চরিত্রে আমার অভিনয়ের সর্বোচ্চটুকুই দেয়ার চেষ্টা করি। ‘ডুব’-এ সাবেরী চরিত্রেও আমি আপ্রাণ চেষ্টা করেছি। দর্শকের কাছে কেমন লাগল তা দর্শকই ভালো বলতে পারবেন। ভবিষ্যতে আমি এ ধরনের আরও ভালো ভালো আন্তর্জাতিক মানের চলচ্চিত্রে কাজ করতে চাই।
কাজের প্রতি তার আন্তরিকতার কমতি নেই বলে নাটকের নির্মাতাদের কেউ কেউ মনে করছেন, যে কোনো চরিত্রের জন্য তিশা মানানসই। শিল্পীরা বোধ করি এমনই হন। একবার যে শিল্পের পথ মাড়িয়ে আসেন, সেই পথ আর সহজে মাড়াতে চান না। সবসময়ই তারা চান নতুন পথে হাঁটতে। তবে, সবাই যে নতুন পথে নিজের পথচলার ধারাবাহিকতা রাখতে পারেন, তা নয়।
এ ক্ষেত্রে তিশা শতভাগ না হলেও অনেকটাই পেরেছেন। বিশেষ করে ক্যারিয়ারের এ সময়ে এসে তো তিনি আর পেছনে ফিরে যেতে চান না।
বৈচিত্র্যময় কাজ দিয়ে তিনি নিজেকে বারবার ছাড়িয়ে যেতে চান। আর কাজ নিয়ে তার এ ভাবনার কারণেই এখন নাট্যকাররা তিশাকে ভেবে নানারকম চরিত্র তৈরি করেন। তিশাও চেষ্টা করেন নির্মাতাদের আস্থার পুরোটাই প্রতিদান দিতে।
image_pdfimage_printPrint

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here