তিন জেলায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ তিনজন নিহত হয়েছে

0
46
তিন জেলায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ তিনজন নিহত হয়েছে

তিন জেলায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ তিনজন নিহত হয়েছে। পুলিশ বলছে, এর মধ্যে মাদারীপুর ও যশোরে দুই দল মাদক ব্যবসায়ীর মধ্যে ও মৌলভীবাজারে ডাকাতের সঙ্গে পুলিশের বন্দুকযুদ্ধ হয়।

আমাদের নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধি ও আঞ্চলিক কার্যালয়ের পাঠানো খবর:

মাদারীপুর: আজ ভোররাতে কথিত বন্দুকযুদ্ধে বাচ্চু খলিফা (৪৫) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। পুলিশের দাবি, নিহত ব্যক্তি মাদক ব্যবসায়ী ছিলেন। তাঁর বাড়ি শিবচর উপজেলার খলিফাপট্টি এলাকায়।

পুলিশের ভাষ্য, মাদকদ্রব্য উদ্ধারে পুলিশের টহল দল শিবচরের শম্ভুক নদ এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী দুই পক্ষের গোলাগুলির শব্দ শুনতে পায়। পুলিশ কাছাকাছি পৌঁছালে পুলিশকে লক্ষ্য করে মাদক ব্যবসায়ীরা গুলি ছোড়ে। পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। এ সময় মাদক ব্যবসায়ীদের দুই পক্ষের গোলাগুলিতে বাচ্চু খলিফা আহত হন। তাঁকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি দেশীয় পাইপগান, তিনটি গুলি ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার করে। তাঁর বিরুদ্ধে শিবচরসহ বিভিন্ন থানায় ১৪টি মামলা রয়েছে।

মৌলভীবাজার: কুলাউড়া উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নের পাবই গ্রামে গতকাল বুধবার গভীর রাতে ডাকাত ও পুলিশের মধ্যে কথিত বন্দুকযুদ্ধ হয়েছে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে ইসলাম আলী (৪৫) নামের এক ডাকাত মারা গেছেন। পুলিশের ভাষ্য, ডাকাতির প্রস্তুতির খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে ডাকাতেরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। একপর্যায়ে ডাকাতদল সটকে পড়লে বাঁশঝাড়ের ভেতর থেকে একটি লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এলাকাবাসী ওই লাশটি ইসলামের বলে শনাক্ত করেন। এ ছাড়া আরও চার পুলিশ আহত হয়েছেন। নিহত ইসলামের বাড়ি পার্শ্ববর্তী কমলগঞ্জ উপজেলার কুমড়াকাপন গ্রামে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ডাকাতদের ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের কিছু অস্ত্র ও গুলি জব্দ করেছে।

কুলাউড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জহিরুল ইসলাম তালুকদার বলেন, সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির সময় নিহত ইসলামের বুকে ও ডান হাতে দুটি গুলির চিহ্ন দেখা গেছে। ময়নাতদন্তের জন্য তাঁর লাশ মৌলভীবাজারের ২৫০ শয্যার হাসপাতালে পাঠানো হবে। তাঁর বিরুদ্ধে মৌলভীবাজারের বিভিন্ন থানায় ১০টি ডাকাতির মামলা রয়েছে।

যশোর: বাঘারপাড়া উপজেলায় কথিত বন্দুকযুদ্ধে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। পুলিশের দাবি, দুই দল মাদক ব্যবসায়ীর মধ্যে এ বন্দুকযুদ্ধ হয়। পুলিশের ভাষ্য, গতকাল রাতে বাঘারপাড়া উপজেলার সেকেন্দারপুর ভাটার আমতলা এলাকায় যশোর-মাগুরা মহাসড়কের পাশে একটি মেহগনিবাগানে দুই দল মাদক ব্যবসায়ীর মধ্যে গোলাগুলি চলছিল। খবর পেয়ে দিবাগত রাত তিনটার দিকে পুলিশ সেখানে পৌঁছায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা পালিয়ে যান। পরে সেখান থেকে এক মাদক ব্যবসায়ীর গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এখনো তাঁর পরিচয় জানা যায়নি। এ সময় সেখান থেকে একটি ওয়ান শুটার গান, একটি গুলি, একটি গুলির খোসা ও তিন কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

image_pdfimage_printPrint

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here