পাঁচ বছরের শিশু হত্যার দায়ে বাবা-মেয়েকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

0
124
পাঁচ বছরের শিশু হত্যার দায়ে বাবা-মেয়েকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে পাঁচ বছরের শিশু তৃষামণিকে হত্যার দায়ে দুজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দণ্ডপ্রাপ্ত দুজন সম্পর্কে বাবা-মেয়ে। পাশাপাশি তাঁদের ২৫ হাজার টাকা জরিমানা ও তা অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় ২০১০ সালে শিশু তৃষামণিকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।

আজ সোমবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ কে এম রাশেদুজ্জামান রাজা আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। আর অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় দুজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন দুর্গাপুর উপজেলার চণ্ডীগড় ইউনিয়নের পাবিয়াখালি গ্রামের মঙ্গল হোসেন (৫৫) ও তাঁর মেয়ে রুখসানা পারভিন ওরফে খুকুমণি (১৯)।
খালাস হওয়া ব্যক্তিরা হলেন মঙ্গল হোসেনের ছেলে আল আমিন (২১) ও মৃত তাহেজ আলীর ছেলে জিয়াউর রহমান (৩৫)।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণী থেকে জানা গেছে, দুর্গাপুরের পাবিয়াখালি গ্রামের বাসিন্দা ও নাগেরগাতি অনির্বাণ বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. শফিকুল ইসলামের সঙ্গে একই গ্রামের মঙ্গল হোসেনের জমিসংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। ২০১০ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর দুপুরে শফিকুল ইসলামের পাঁচ বছরের মেয়ে তৃষামণি ঘর থেকে বের হয়ে পাশের বাড়ি যায়। শিশুটির বাড়ি ফিরতে দেরি হওয়ায় তার মা নাছিমা আক্তার আশপাশের বাড়িঘরে খোঁজ নেন। কিন্তু কোথাও না পেয়ে এলাকায় মাইকিং করা হয়। পরদিন দুর্গাপুর থানায় এ ব্যাপারে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। এর পরদিন ২৬ সেপ্টেম্বর সকাল নয়টার দিকে প্রতিবেশী আবদুল খালেকের মা আদর নেছা বাড়ির পেছনে শিশুটির মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে এলাকাবাসী থানায় খবর দেন।

পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় নিহত শিশুটির বাবা শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে ২৭ সেপ্টেম্বর মঙ্গল হোসেনসহ চারজনকে আসামি করে দুর্গাপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে ২০১১ সালের ৩০ এপ্রিল চার আসামির বিরুদ্ধেই আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। আদালত ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে এ রায় দেন।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন ভারপ্রাপ্ত সরকারি কৌঁসুলি সাইফুল আলম এবং আসামিপক্ষে ছিলেন মো. নজরুল ইসলাম খান।
সরকারি কৌঁসুলি সাইফুল আলম জানান, এ মামলায় আদালত সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে চার আসামির মধ্যে দুজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ২৫ হাজার টাকা জরিমানা এবং তা অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন। অপর দুই আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে পাঁচ বছরের শিশু তৃষামণিকে হত্যার দায়ে দুজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দণ্ডপ্রাপ্ত দুজন সম্পর্কে বাবা-মেয়ে। পাশাপাশি তাঁদের ২৫ হাজার টাকা জরিমানা ও তা অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় ২০১০ সালে শিশু তৃষামণিকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।

আজ সোমবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ কে এম রাশেদুজ্জামান রাজা আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। আর অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় দুজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন দুর্গাপুর উপজেলার চণ্ডীগড় ইউনিয়নের পাবিয়াখালি গ্রামের মঙ্গল হোসেন (৫৫) ও তাঁর মেয়ে রুখসানা পারভিন ওরফে খুকুমণি (১৯)।
খালাস হওয়া ব্যক্তিরা হলেন মঙ্গল হোসেনের ছেলে আল আমিন (২১) ও মৃত তাহেজ আলীর ছেলে জিয়াউর রহমান (৩৫)।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণী থেকে জানা গেছে, দুর্গাপুরের পাবিয়াখালি গ্রামের বাসিন্দা ও নাগেরগাতি অনির্বাণ বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. শফিকুল ইসলামের সঙ্গে একই গ্রামের মঙ্গল হোসেনের জমিসংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। ২০১০ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর দুপুরে শফিকুল ইসলামের পাঁচ বছরের মেয়ে তৃষামণি ঘর থেকে বের হয়ে পাশের বাড়ি যায়। শিশুটির বাড়ি ফিরতে দেরি হওয়ায় তার মা নাছিমা আক্তার আশপাশের বাড়িঘরে খোঁজ নেন। কিন্তু কোথাও না পেয়ে এলাকায় মাইকিং করা হয়। পরদিন দুর্গাপুর থানায় এ ব্যাপারে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। এর পরদিন ২৬ সেপ্টেম্বর সকাল নয়টার দিকে প্রতিবেশী আবদুল খালেকের মা আদর নেছা বাড়ির পেছনে শিশুটির মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে এলাকাবাসী থানায় খবর দেন।

পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় নিহত শিশুটির বাবা শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে ২৭ সেপ্টেম্বর মঙ্গল হোসেনসহ চারজনকে আসামি করে দুর্গাপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে ২০১১ সালের ৩০ এপ্রিল চার আসামির বিরুদ্ধেই আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। আদালত ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে এ রায় দেন।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন ভারপ্রাপ্ত সরকারি কৌঁসুলি সাইফুল আলম এবং আসামিপক্ষে ছিলেন মো. নজরুল ইসলাম খান।
সরকারি কৌঁসুলি সাইফুল আলম জানান, এ মামলায় আদালত সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে চার আসামির মধ্যে দুজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ২৫ হাজার টাকা জরিমানা এবং তা অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন। অপর দুই আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

image_pdfimage_printPrint

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here