বিদ্যুৎ-সংযোগ দিতে টাকা নেন ‘ইলেকট্রিশিয়ান’

0
96

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নে বিদ্যুৎ-সংযোগ দেওয়ার নামে বিদ্যুৎ-সংযোগ প্রত্যাশীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যুতের সঞ্চালন লাইন বিতরণের কাজে নিয়োজিত পল্লী বিদ্যুৎ অনুমোদিত একজন ‘ইলেকট্রিশিয়ানের’ বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠেছে। তাঁর নাম নাছির উদ্দিন। বিদ্যুৎ-সংযোগ পেতে গ্রাহকদের কোনো টাকা না দিতে পল্লী বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে মাইকিং করা হলেও টাকা নেওয়া বন্ধ হয়নি।
২০১৭ সালের ডিসেম্বর মাসের মধ্যে রায়পুর উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুৎ দেওয়ার জন্য প্রকল্প হাতে নেয় সরকার। ওই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য বিদ্যুৎ-সংযোগের কাজ চলছে। এ সুযোগে একটি চক্র সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা আদায় করছে বলে অভিযোগ আছে।
১৯ অক্টোবর সোনাপুর এলাকায় পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ বিদ্যুৎ-সংযোগ দেওয়ার জন্য টাকা না দিতে বিদ্যুৎ প্রত্যাশীদের আহ্বান জানিয়ে মাইকিং করেছে। তারপরও ইলেকট্রিশিয়ান নাছির উদ্দিন টাকা আদায় করছেন বলে বিদ্যুৎ প্রত্যাশী গ্রাহকেরা অভিযোগ করেছেন। তিনি তালিকা করে টাকা আদায় করেন বলে অভিযোগ আছে। এ রকম একটি তালিকা প্রথম আলোর কাছে আছে।
ওই তালিকায় নাম থাকা চারজন বিদ্যুৎ প্রত্যাশী নাম প্রকাশ না করে প্রথম আলোকে বলেন, তাঁদের কাছে প্রতিটি বিদ্যুতের মিটার লাগাতে ১০ হাজার টাকা চেয়েছেন নাছির উদ্দিন। গত এক মাস ধরে নাছির ও তাঁর সহযোগী মো. বাহার তালিকা করে টাকা আদায় করছেন। এ পর্যন্ত ৮০-৯০ জন গ্রাহকের কাছ থেকে টাকা আদায় করেছেন নাছির।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে অভিযুক্ত নাছির বলেন, সোনাপুর গ্রামের প্রায় এক কিলোমিটার বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের কাজ চলছে। লাইনটি শতভাগ বিদ্যুৎ প্রকল্পের আওতায় নয়। এ লাইনটি অনুমোদন করতে অনেক খরচ হয়েছে। এ খরচের জন্য গ্রাহকের কাছ থেকে কিছু টাকা নেওয়া হচ্ছে।
রায়পুর পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক সুদাস চন্দ্র রক্ষিত বলেন, ‘২০১৭ সালের ডিসেম্বর মাসের মধ্যে রায়পুরে শতভাগ বিদ্যুৎ দেওয়ার জন্য প্রকল্প হাতে নেয় সরকার। ওই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য বিদ্যুৎ-সংযোগের কাজ চলছে। কয়েকটি এলাকায় টাকা আদায়ের বিষয়টি আমিও জেনেছি। টাকা না দিতে কয়েকবার এলাকায় মাইকিং করা হয়। জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

image_pdfimage_printPrint

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here