ব্রাজিল বিশ্বকাপে শেষ হাসি হেসেছে জার্মানি।

0
115
ব্রাজিল বিশ্বকাপে শেষ হাসি হেসেছে জার্মানি।

ব্রাজিল বিশ্বকাপে শেষ হাসি হেসেছে জার্মানি। স্বাগতিক দলকে সেমিফাইনালে ৭-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে, ফাইনালে আর্জেন্টিনাকেও কাঁদিয়ে ফিরেছে জোয়াকিম লোর দল। ২০তম বিশ্বকাপে চতুর্থ শিরোপার উল্লাসের স্মৃতি এখনো তাজা দলটির মনে।

২০তম বিশ্বকাপে দলটির এমন সাফল্য হয়তো অনুমিতই ছিল। ২০ সংখ্যাটিই যে এ দলটির বড্ড প্রিয়। সবচেয়ে বেশি বিশ্বকাপ খেলার রেকর্ড ব্রাজিলের হলেও বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ড জার্মানির (১০৬)। সবচেয়ে বেশি গোলও (২২৪) তাদের। তবে বেশি ম্যাচ খেলে গোল করেও বেশি জয়ের রেকর্ডটি ব্রাজিল থেকে কেড়ে নিতে পারেনি দেশটি। পারবে কীভাবে? বিশের চক্করে পড়ে যে ২০টি ম্যাচ হেরেছে তারা, আবার ড্র-ও করেছে ২০টি ম্যাচ।

২০-এর প্রেমে জার্মানি অবশ্য পড়েছে বহু আগেই। প্রথম বিশ্বকাপে খেলতে যায়নি দেশটি। ১৯৩৪-এর বিশ্বকাপে অভিষেক। সেবারই সেমিফাইনালে উঠে তৃতীয় হয়েছিল দলটি। কিন্তু আরেকটি বিশ্বকাপের সেমিতে পৌঁছতে আরও ২০ বছর লেগে গেল দেশটির। এবার আর তিনে নয়, ফেবারিট হাঙ্গেরিকে হারিয়ে প্রথম বিশ্বকাপের স্বাদও পেয়ে গেল দেশটি। পরের চারটি বিশ্বকাপে আরও তিনটি সেমিফাইনালও খেলে ফেলল জার্মানি। কিন্তু আরেকটি শিরোপা উৎসব করতে ঠিক ২০ বছরই অপেক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি। ১৯৭৪ সালে আবারও অঘটন, ফেবারিট হল্যান্ডকে হারিয়ে নিজেদের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ পেল জার্মান-যন্ত্ররা।

বিশ্বকাপে মাত্র দুবার দেখা যায়নি জার্মানিকে। উরুগুয়েতে অনুষ্ঠিত প্রথম বিশ্বকাপে জার্মানির মতোই অনুপস্থিত ছিল ইউরোপের আরও অনেক দল। তবে ১৯৫০ বিশ্বকাপে জার্মানির ইচ্ছা-অনিচ্ছার কোনো দাম ছিল না। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দায় মেটাতে সেবার জার্মানিকে নিষিদ্ধই করা হয়েছিল। এ দুই বিশ্বকাপের মাঝে সময়ের ব্যবধানটা এতক্ষণে খেয়াল করে ফেলার কথা-২০ বছর!

তবে বিশের সাফল্যগাথায় জার্মানি নয়, ব্রাজিলই এগিয়ে আছে। প্রতিটি বিশ্বকাপেই শেষ ১৬ খেলেছে ব্রাজিল। তবে এটাও ঠিক, প্রথম ১১টি বিশ্বকাপে দলই ছিল ১৬ বা এর কম!

এত এত সব সাফল্যগাথার মাঝে একটি হতাশার কথাও বলে ফেলা যাক, এ নিয়ে ২০টি বিশ্বকাপে বাছাইপর্ব খেলেছে লুক্সেমবার্গ। কিন্তু বিশ্বকাপের টিকিট এখনো কাটতে পারেনি দেশটি!

image_pdfimage_printPrint

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here