১৯৯০ সালের দিকে গ্রাম ছাড়তে শুরু করে এলাকার বাসিন্দারা।

0
26
১৯৯০ সালের দিকে গ্রাম ছাড়তে শুরু করে এলাকার বাসিন্দারা।
পূর্ব চীনের শেংশান দ্বীপের গ্রাম হোউতোউওয়ান। একসময় ৩ হাজার মৎস্যজীবীর বসতি ছিল এই গ্রামে। সুখেই কাটতো সবার দিন। হঠাৎ করে গ্রামটির মানুষের মনে শহরের প্রতি আকর্ষণ তৈরি হয়। ১৯৯০ সালের দিকে গ্রাম ছাড়তে শুরু করে এলাকার বাসিন্দারা। গ্রামের লোকসংখ্যা কমতে শুরু করে। এক পর্যায়ে তা ৩ হাজার থেকে নেমে একরকম শূন্য হয়ে পড়ে। পরিত্যক্ত অবস্থায় চলে যায় গ্রামটি। গ্রামটির পড়ে থাকা বাড়ি-ঘর, পথ-ঘাট খাঁ খাঁ করতে থাকে।
মানুষজন নেই কোথাও! যেন ভূতুড়ে অবস্থা। আরও অদ্ভুত ব্যাপার হলো, গ্রামটির নামের সঙ্গে ‘ভৌতিক’ শব্দটি যোগ হতে থাকে। এক পর্যায়ে ‘ভৌতিক গ্রাম’ আখ্যা পেয়ে যায় গ্রামটি। চতুর্দিকে পরিচিত হয়ে যায় ‘ভুতুড়ে গ্রাম’ হিসেবে।
সাংহাই থেকে ৫৫ মাইল দূরে হোউতোউওয়ান গ্রামটি জনশূন্য হলেও নতুন করে গ্রামটি পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। সবুজের সমারোহে ঢাকা পুরো গ্রামটি। এক সময়ের নির্জন গ্রামটির সবকটি বাড়ি ঢেকে ফেলেছে সবুজ লতা পাতা। প্রায় প্রতিটি বাড়ির ভিত পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে আইভি লতার শিকড়। পুরো গ্রাম যেন সবুজের মায়াবি চাদরের আদরে ঢাকা।
সাংহাই কর্তৃপক্ষ গ্রামটিকে বেছে নিয়েছে তাদের অন্যতম পর্যটনক্ষেত্র হিসেবে। প্রতিষ্ঠা করেছে স্টারবাকস নামে সুবিশাল রেস্তােরাঁ। হোউতোউওয়ানে এখন পর্যটকদের নিয়মিত আনাগোনা। সবুজের মায়ায় ঘেরা গ্রামটি দেখে মুগ্ধ পর্যটকরা।
image_pdfimage_printPrint

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here