মৌলভীবাজারের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে (৮) ধর্ষণের ঘটনায় আটক

0
135
মৌলভীবাজারের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে (৮) ধর্ষণের ঘটনায় আটক

মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে (৮) ধর্ষণের ঘটনায় আজমান উল্লা ওরফে আজমান মিয়া (৫৫) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার বিকেলে তাঁকে আটক করা হয়।

আজমান মিয়া উপজেলা সদরের দক্ষিণ জাঙ্গিরাই এলাকার একটি কলোনিতে থাকতেন। তাঁর মূল বাড়ি হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলার শিবপাশা গ্রামে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার বিকেলে শিশুটিকে বাসায় পড়তে বসিয়ে তার মা জরুরি কাজে বাইরে বের হন। এই সুযোগে প্রতিবেশী আজমান ঘরে ঢুকে শিশুটিকে ধর্ষণ করেন। বাসায় ফেরার পর শিশুটি তার মাকে ঘটনা জানায়। পরদিন তাকে পার্শ্ববর্তী কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। ওই দিনই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকের পরামর্শে শিশুটিকে মৌলভীবাজারের ২৫০ শয্যার হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এখন শিশুটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

এ ঘটনা নিয়ে গতকাল রাতে প্রথম আলোর অনলাইন সংস্করণে ‘দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ’ (http://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1477706/) শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। পুলিশ জানিয়েছে, সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নজরে পড়ে। ওই দিন রাতেই আজমানকে আটকের জন্য এলাকায় অভিযান চালানো হয়। টের পেয়ে তিনি গা ঢাকা দেন। পরে এলাকাবাসী পরিকল্পনা করে আপসের আশ্বাস দিয়ে মুঠোফোনে আজমানের সঙ্গে যোগাযোগ করে শুক্রবার বিকেলে চারটার দিকে তাঁকে উপজেলা সদরের ডাকঘর সড়ক এলাকায় নিয়ে আসে। এ সময় পুলিশ তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

জুড়ী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুধীন চন্দ্র দাস প্রথম আলোকে বলেন, প্রথম আলো অনলাইনের সংবাদ পড়ে ঘটনাটি জানা যায়। নির্যাতনের শিকার শিশুটির মা থানায় এসেছেন। তিনি মামলা করবেন। আটক আজমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। কিন্তু তিনি মুখ খুলছেন না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here