মেধাবী শিক্ষার্থী তরিকুল ইসলাম ব্রেন টিউমার থেকে বাঁচার আকুতি

0
42
মেধাবী শিক্ষার্থী তরিকুল ইসলাম ব্রেন টিউমার থেকে বাঁচার আকুতি

রাবি প্রতিনিধি
বগুড়া জেলার কাহালু থানার কমলা ফাযিল ডিগ্রী মাদ্রাসার ৭ম শ্রেণীর মেধাবী শিক্ষার্থী তরিকুল ইসলাম মরণব্যাধি ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত। বাঁচার আকুতি জানিয়ে তাকিয়ে আছেন সমাজের বিত্তবান মানুষের দিকে। পিতৃহীন বালকের জীবন মৃত্যুর এই সন্ধিক্ষণে বাঁচার একমাত্র ভরসার জায়গা এখন সমাজের বিত্তবানদের আর্থিক সাহায্য এবং সহযোগীতার একমাত্র মূখ্য মাধ্যম। তারপক্ষে এ ছাড়া কোন উপায় অব্যহত নেই। দীর্ঘ দিন যাবৎ তরিকুলের এহেন অবস্থায় মৃত্যু সজ্জায় পৌছাতে আর মনে হয় বেশি বাকি নেই। এ সময় সহযোগীতার ও বড়ই সংকট তার জন্য। কিন্তু বাস্তব সত্য এই যে সকলে বাঁচতে চায়। তেমনিভাবে তরিকুল ও এর বিপরীত নয়।
তরিকুল ইসলাম গত ৩ বছর যাবৎ ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত। তাকে ২০১৬ সালে ৫ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল হাসপাতালে অপারেশন করানো হয় । ২০১৬ সালে মে মাসে মহাখালী জাতীয় ক্যান্সার হাসপাতাল থেকে তাকে রেডিও থেরাপি দেওয়া হয় এবং ২০১৭ সালে জানুয়ারি মাসে এম.আর.আই পরীক্ষার মাধ্যমে পুনরায় তার ব্রেনে টিউমার ধরা পড়লে তাকে অপারেশনের জন্য দ্বিতীবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল হাসপাতালে ভর্তি করান তার পরিবার। কিন্তু অপারেশনটি অত্যাধিক ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় এবং উক্ত সময়ে টিউমারটির অবস্থান ছোট থাকায় চিকিৎসকগণ অপারেশন না করে তাকে হাসপাতাল থেকে রিলিজ দেয়। সম্প্রতি টিউমারটি বেড়ে যাওয়ায় তার পড়াশুনা ও স্বাভাবিক জীবন বিপন্ন। এখন তার উন্নত চিকিৎসা ও অপারেশনের জন্য চিকিৎসকগণ দেশের বাইরে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। এতে প্রায় ১২ থেকে ১৪ লক্ষ টাকার প্রয়োজন। গ্রামের দারিদ্র্য পরিবারের পক্ষে এই ব্যয়বহুল চিকিৎসার ভার বহন করা সম্ভব না।
তরিকুল পিতৃবিহীন, তার মত গরীব পরিবারের পক্ষে এতগুলো টাকা সংগ্রহ করে চিকিতসা করানো সম্ভব নয়। যেখানে তাদের পরিবারের একবেলা খাবারের জন্য মানুষের দ্বারে দ্বারে ধরণা দিতে হয়। সেখানে এত টাকা ম্যানেজ করা আকাশকুসুম কল্পনা করার মতই। এমতাবস্তায় মানুষের সহযোগীতা নিয়ে বাঁচার মিনতি করেন তরিকুল।
চিকিৎসার ব্যয়ভার বহনের একমাত্র অবলম্বন হলো এলাকার বিত্তবান মানুষের সহযোগীতা। মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য। এটাই যদি হয়ে থাকে তাহলে হাজারো তরিকুলের জীবন বাঁচানো সম্ভব। এমন আর্থিক সংকটাপূর্ণ মুহূর্তে আর্থিক সহযোগীতার মাধ্যমে পাশে দাঁড়ানোই হলো সর্বত্তোম পন্থা।
তেমনিভাবে তরিকুল বাঁচার আকুতি নিয়ে সমাজের বৃত্তবান মানুষের দিকে তাকিয়ে দিন রাত আর্তনাদ করে চলেছে। একটি মনুষ্যত্ববান সমাজ পারে তরিকুলের মতো হাজারো প্রান ফিরিয়ে দিতে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here