নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলা থেকে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

0
226
নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলা থেকে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলা থেকে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পাশাপাশি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে স্বামী-সতীনসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে উপজেলার ঝাউপাড়া সন্তষপুর গ্রাম থেকে মাটিতে পুতে রাখা মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মিম খাতুন (১৮) ওই গ্রামের ফরহাদ হোসেনের স্ত্রী ও বড়াইগ্রাম উপজেলার নিশ্চিন্তপুর গ্রামের মনিরুল ইসলামের মেয়ে। এর আগে, গত রোববার রাতে বিয়ের চারদিনের মাথায় তাকে মারপিটে হত্যা করে বাড়ির পার্শ্বে মাটিতে পুতে রাখা হয়।

গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দিলীপ কুমার দাস বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এ ঘটনায় গৃহবধূ মিমের বাবা মনিরুল ইসলাম গুরুদাসপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়রি (জিডি) করেন। ওই ডায়রি মোতাবেক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ফরহাদকে থানায় ডেকে আনা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে ফরহাদ পুলিশের কাছে এ হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনাসহ দায় স্বীকার করেন। পরে তার দেওয়া স্বীকারোক্তিতে বাড়ির পার্শ্ব থেকে মাটিতে পুতে রাখা মরদেহটি রাতে উদ্ধার করা হয়।

আজ বুধবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি নাটোর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। এছাড়া এ ঘটনায় নিহত মিমের বাবা মনিরুল ইসলাম বাদি হয়ে স্বামীসহ চারজনকে আসামি করে গুরুদাসপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন বলেও জানান ওসি। আটককৃতরা হলেন- স্বামী ফরহাদ হোসেন (২১), তার প্রথম স্ত্রী ইমা বেগম (১৮) ও তার আগের শশুর তফের আলী (৪৭), শাশুড়ি সুখজান (৩৯)। আটক ফরহাদ উপজেলার ঝাউপাড়া সন্তষপুর গ্রামের তৌহিদ শাহের ছেলে।

image_pdfimage_printPrint

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here