বিশ্বব্যাংক প্রস্তুত শরণার্থীদের সাহায্য দিতে

0
28

শরণার্থীদের সাহায্য দিতে বিশ্বব্যাংক প্রস্তুত আছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে সংস্থাটির কান্ট্রি ডিরেক্টর চিমিয়াও ফান। তিনি বলেন, অন্যান্য দাতা সংস্থার মতো বিশ্বব্যাংকও পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। আজ বুধবার সংস্থার ঢাকা কার্যালয়ে ‘বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট’ প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

চিমিয়াও ফান বলেন, বাংলাদেশে এখন যে শরণার্থী সমস্যা চলছে, তাতে বিশ্বব্যাংক সহায়তা দিতে প্রস্তুত আছে। বিশ্বব্যাংকের সহযোগী সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি আইডিএ-১৮–তে ‘রিফিউজি ফান্ড’ নামে নতুন একটি তহবিল গঠন করা হয়েছে। এর পরিমাণ ২০০ কোটি ডলার। যেকোনো দেশ প্রয়োজনে তিন বছরে সর্বোচ্চ ৪০ কোটি ডলার ঋণ পেতে পারে। বাংলাদেশও এই তহবিল পাওয়ার যোগ্য।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যা বাংলাদেশের জন্য একটি বাড়তি ও অন্যতম চাপ। এজন্য আমরা উদ্বিগ্ন। তিনি আরও বলেন, তাদের (রোহিঙ্গা) শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও স্যানিটেশন নিশ্চিত করা অন্যতম চ্যালেঞ্জ।

চিমিয়াও ফান বলেন, এই ইস্যুতে বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে সহায়তা করতে প্রস্তুত। সরকার চাইলে সহায়তা দেওয়া হবে।সংবাদ সম্মেলনে দেশের বিভিন্ন অর্থনৈতিক দিক তুলে ধরেন সংস্থাটির মুখ্য অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন।

চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৪ শতাংশ হবে বলে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট’ প্রতিবেদনে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এই প্রবৃদ্ধি হবে মূলত শিল্প ও সেবা খাতনির্ভর। বিশ্বব্যাংক বলছে, ‘প্রবৃদ্ধি অর্জনে বাংলাদেশের মূল চ্যালেঞ্জগুলো হলো অবকাঠামো উন্নয়ন ও মানসম্মত কর্মসংস্থান তৈরি।’ এর আগে চলতি বছরের জুনেও প্রবৃদ্ধি পূর্বাভাস ৬ দশমিক ৪ শতাংশ হবে বলে জানায় সংস্থাটি।

‘বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট’ প্রতিবেদনে চলতি বছরের বাজেট বাস্তবায়নে বেশ কিছু অপ্রত্যাশিত চাপ রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। যেমন: খাদ্যে ভর্তুকি, রোহিঙ্গাদের ত্রাণ সংস্থান। এছাড়া দেশের অর্থনৈতিক ঝুঁকির বিষয়গুলো হলো নির্বাচনের আগের বছর হওয়ায় চলতি বছরে বড় ধরনের সংস্কারের সম্ভাবনা কম, রপ্তানি কমে যাওয়া ও রেমিট্যান্স প্রবাহে দুর্বলতা।

image_pdfimage_printPrint

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here