যাত্রীছাউনিতে চলে ব্যবসা

0
146

ঢাকা-মাওয়া সংযোগ সড়ক এবং ঢাকা-নবাবগঞ্জ সড়কসংলগ্ন কেরানীগঞ্জের কদমতলী গোলচত্বর এলাকায় নির্মিত যাত্রীছাউনিগুলো হকারদের দখলে। এতে যাত্রীদের রোদ-বৃষ্টিতে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে যানবাহনের জন্য অপেক্ষা করতে হয়।

জানা গেছে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অর্থায়নে তিন বছর আগে কদমতলী গোলচত্বর ও এর আশপাশের এলাকায় চারটি যাত্রীছাউনি নির্মাণ করা হয়। বছর খানেকের মধ্যে কদমতলী গোলচত্বর এলাকার দুটি যাত্রীছাউনির টিনের চালা ও স্টিলের খুঁটি রাতের বেলায় কেউ খুলে নিয়ে যায়। অপর দুটি যাত্রীছাউনির কাঠামো থাকলেও সেগুলো হকার ও দোকানিদের দখলে।

গতকাল শুক্রবার সকালে দেখা যায়, কদমতলী গোলচত্বরের কাছে ঢাকা-নবাবগঞ্জ সড়কের সিএনজিচালিত অটোরিকশার স্ট্যান্ডসংলগ্ন যাত্রীছাউনি অবৈধ দখলে। সেখানে চা বিক্রি করছেন এক ব্যক্তি। যাত্রীছাউনির টিনের চালা নেই। তবে দুটি খুঁটি দাঁড়িয়ে আছে। আর স্টিলের বেঞ্চ ভেঙে পড়ে আছে। একই এলাকায় আরেকটি যাত্রীছাউনির অবকাঠামোর কোনো অস্তিত্বই নেই। বিশারী বাসস্ট্যান্ডের যাত্রীছাউনির বেঞ্চের সামনে বিক্রি করা হচ্ছে আখ। আরেক ব্যক্তি বিক্রি করছেন মুঠোফোনের সরঞ্জাম। ঢাকা-নবাবগঞ্জ সড়কে বন্দ ডাকপাড়া এলাকার যাত্রীছাউনিতে ফল বিক্রি করছেন তিন ব্যক্তি।

যাত্রীছাউনি দখল করে ব্যবসা করা সম্পর্কে জানতে চাইলে হকারদের কেউ কোনো কথা বলতে রাজি হননি।

নবাবগঞ্জগামী যাত্রী ইনসান মিয়া (৪২) বলেন, ‘যাত্রীদের সুবিধার্থে যাত্রীছাউনি নির্মাণ করা হয়েছে। অথচ আমরা এর সুফল ভোগ করতে পারছি না। ছাউনি এখন হকারদের দখলে। এ জন্য রোদে পুড়ে-বৃষ্টিতে ভিজে যাত্রীদের যানবাহনের জন্য অপেক্ষা করতে হয়।’

গতকাল শেখ আবদুল আজিজ নামের এক ব্যক্তিকে রাস্তায় দাঁড়িয়ে বাসের জন্য অপেক্ষা করতে দেখা যায়। তিনি বলেন, ‘যাত্রীছাউনিতে বসে একটু বিশ্রাম নেব, সেই সুযোগ নেই। সরকার যাত্রীদের জন্য ছাউনি বানায়, আর সেখানে অবৈধ দখলদারেরা ব্যবসা করে।’

কদমতলী এলাকার বাসিন্দা আবু মান্নান হাওলাদার অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের প্রতি দাবি জানান।

কেরানীগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী শাজাহান আলী বলেন, নবাবগঞ্জ ও মাওয়াগামী যাত্রীদের সুবিধার্থে এলজিইডির অর্থায়নে যাত্রীছাউনিগুলো নির্মাণ করা হয়েছিল। তিনি বলেন, ছাউনিগুলোর বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

image_pdfimage_printPrint

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here