উৎসে কর কমানোর দাবি ইএবির

0
83

নতুন মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট (মূসক) আইন বাস্তবায়ন দুই বছরের জন্য স্থগিত রাখায় এবং ব্যাংকে ক্ষুদ্র আমানতের ওপর আবগারি শুল্ক কমিয়ে চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট পাস হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইএবি)।

রপ্তানিকারকদের এই সংগঠন বাজেটে শিল্পকে উৎসাহিত করতে তৈরি পোশাক খাতে পরিবেশবান্ধব কারখানার জন্য করপোরেট কর হার ১৪ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশে এবং সাধারণ কারখানার ক্ষেত্রে তা ১৫ শতাংশ থেকে ১২ শতাংশে নামিয়ে আনায় সন্তোষ প্রকাশ করেছে। ইএবি সংসদে নতুন বাজেট পাসের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে এসব কথা বলেছে।

তবে সংগঠনটি বাজেটের কিছু পদক্ষেপে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, এগুলো শিল্পের বিকাশকে নিরুৎসাহিত করবে। সে জন্য ইএবি তৈরি পোশাক, চামড়া, হিমায়িত খাদ্যসহ সব রপ্তানি খাতের জন্য উৎসে কর কর্তনের হার ১ শতাংশ থেকে কমিয়ে শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ করার জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে।

গণমাধ্যমে গতকাল পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ইএবি জানায়, ইউরোপসহ অন্যান্য দেশের ক্রেতারা ক্রমাগত পণ্যের মূল্য কমাচ্ছে। ডলারের বিপরীতে টাকার মূল্যমান বেড়েছে ৭ দশমিক ৮৪ শতাংশ। মজুরি, জ্বালানি, পরিবহন ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয় বেড়েছে। গত পাঁচ বছরে দুই দফায় শ্রমিকদের মজুরি ২১৯ শতাংশ বৃদ্ধি পাওয়ায় ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় ১৭ দশমিক ১১ শতাংশ বেড়েছে। এসব কারণে পোশাকশিল্প চাপের মধ্যে রয়েছে এবং অন্যান্য প্রতিযোগী দেশের সঙ্গে অস্তিত্ব ও সক্ষমতা টিকিয়ে রাখা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। এ ছাড়া বিদেশি ক্রেতাদের জোট অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্সের শর্তানুযায়ী কারখানার সংস্কারকাজে প্রচুর অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। এ অবস্থায় প্রতিযোগী দেশগুলোর সঙ্গে টিকে থাকতে এই খাতে উৎসে কর কমানো অত্যাবশ্যক।

image_pdfimage_printPrint

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here