চলন্ত বাসে গণধর্ষণের পর হত্যা

0
362

টাঙ্গাইলের মধুপুরে চলন্ত বাসে এক কলেজছাত্রীকে গণধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় তিন হেলপার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় টাঙ্গাইলের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম, গোলাম কিবরিয়া ও শামছুল হক পৃথকভাবে তাদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করেন।যারা আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে তারা হলো ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার নন্দীবাড়ির মৃত কামাল হোসেনের ছেলে বাসের হেলপার আকরাম (৩৫), খোরশেদ আলমের ছেলে শামিম মিয়া (২৫) ও ময়মনসিংহ সদরের মৃত সুজা মিয়ার ছেলে জাহাঙ্গীর আলম (১৯)।

আটক অপর দুইজন হচ্ছে বাসের চালক ময়মনসিংহের কোতায়ালী থানার শহিদুলের ইসলামের ছেলে হাবিবুর রহমান (৩০) ও সুলতান উদ্দিনের ছেলে বাসের সুপারভাইজার ফজল আলী গেন্দু (৫৮)।মধুপুর থানার ওসি সফিকুল ইসলাম জানান, শুক্রবার রাতে খবর পেয়ে মধুপুর থানার পুলিশ উপজেলার পঁচিশ মাইল এলাকায় বনের সড়কের পাশ থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় অজ্ঞাত এক যুবতীর লাশ উদ্ধার করে। পরদিন টাঙ্গাইল মর্গে লাশের ময়নাতদন্তের পর শহরের কেন্দ্রীয় গোরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। ওই দিন পুলিশ কয়েকজন অজ্ঞাতনামাকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।পরে সোমবার সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার আছানবাড়ি গ্রামের হাফিজুর রহমান মধুপুর থানায় গিয়ে লাশের ছবি দেখে যুবতীকে তার বোন জাকিয়া সুলতানা রুপা (২৭) বলে সনাক্ত করেন। তাদের দেওয়া তথ্যর উপর ভিত্তি করে ময়মনসিংহ-বগুড়া সড়কে চলাচলকারী ছোঁয়া পরিবহনের (ঢাকা মেট্রো ব-১৪-৩৯৬৩) চালক, সুপারভাইজার ও তিন হেলপারকে আটক করা হয়।পারিবারিক ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত যুবতী বগুড়ার সরকারি আজিজুল হক কলেজ থেকে হিসাব বিজ্ঞানে মাস্টার্স করে ঢাকার আইডিয়াল ল কলেজে এলএলবি শেষ পর্বে পড়াশোনা করছিলেন। পাশাপাশি তিনি ইউনিলিভার বাংলাদেশের শেরপুর অফিসে চাকরি করতেন। ঘটনার আগের দিন তিনি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় অংশ নেয়ার জন্য শেরপুর থেকে বগুড়া যান এবং পরীক্ষা শেষে ওই বাসে ময়মনসিংহ হয়ে শেরপুর ফেরার পথে তাকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা ঘটে।

image_pdfimage_printPrint

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here