মিরপুরে জঙ্গি আস্তানায় সাতজনই পুড়ে কয়লা

0
47

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রধান ড. সোহেল মাহমুদের নেতৃত্বে দুপুর ১.১০ থেকে ১.৪৫ পর্যন্ত তাদের ময়নাতদন্ত করা হয়। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন ডা. প্রদীপ বিশ্বাস ও ডা. কবির সোহেল।

ডা. সোহেল মাহমুদ ময়নাতদন্ত শেষে সাংবাদিকদের জানান, ‘সাতটি মৃতদেহের পোস্টমর্টেম সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিটি শরীর আগুনে পোড়া ছিল। মৃতদেহগুলো পুড়ে একেবারে কয়লা হয়ে গিয়েছে। হাড় ও মাংস কিছুই ছিল না। আমরা অনেক কষ্টে ডিএনএ প্রোফাইলিং এর জন্য মেরুদণ্ড থেকে একটু সজীব হাড় সংগ্রহ করেছি। শরীরের ধংসাবশেষ থেকে আমরা লোহার টুকরো, দস্তা ও টিনের টুকরো পেয়েছি।

সাংবাদিকরা মৃতদেহগুলোর বয়স জানতে চাইলে তিনি বলেন, মৃতদেহ গুলোর অবস্থা এতো খারাপ ছিল যে বয়স নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি। বডিগুলোর অবস্থা এতো খারাপ যে পুরুষ না নারী তাও শনাক্ত করা যায়নি। শুধু দুটো শিশুর মৃতদেহ আছে। যা দেখে আমাদের মনে হয়েছে একটার বয়স ২ থেকে ৩ এবং আরেকটার বয়স ৮ বছর হতে পারে।

নিখোঁজ কামালের বাবা আব্দুল মালেক জানান, ঈদের পরদিন থেকে তার ছেলের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ নেই। সে আব্দুল্লার বাসায় ৬ মাস ধরে কাজ করতো। কবুতর দেখাশুনার কাজ করতো সে।

তিনি আরও জানান, আমার ছেলে জঙ্গি না। সে কাজ করতে ঢাকায় আসছিল। সে নামাজ পড়তো কিন্তু জঙ্গি না। আব্দুল্লাহ আমার ছেলেকে মেরে ফেলেছে।

কামালের বাবা-মার ধারণা আব্দুল্লার বাসায় বিস্ফোরণে তাদের ছেলে মারা গেছে। তবে র‌্যাবের পক্ষ থেকে এখনও কামালের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়নি।

কামালের মা নূরজাহান জানান, ৬ মাস আগে সে ভোলার ইলিশ্যা গ্রামে চায়ের দোকানে করতো। আব্দুল্লার মাধ্যমেই সে ঢাকায় এসে তার বাড়িতে কবুতর লালন পালনের কাজ শুরু করে। মাসে ৬ হাজার টাকা বেতন দিতো। কাজ শুরুর পর গত রমযানে ও ঈদে দুইবার বাড়ি গিয়েছিল। কোরবানির ঈদের পর কামালের বাড়ি যাওয়ার কথা ছিল। পাঁচ সন্তানের মধ্যে কামাল দ্বিতীয়।

উল্লেখ্য, গত সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত পৌনে ১০টার দিকে রাজধানীর দারুস সালাম এলাকার বাসা-২/৩/বি বাড়িটি জঙ্গি সন্দেহে ঘিরে রাখে র‌্যাব। মঙ্গলবার সকালে বাড়িটির ভেতর থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হয়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পাঁচ থেকে ছয়টি ভয়াবহ বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া যায়। ওই বাসা থেকে প্রচুর পরিমাণে কালো ধোঁয়া উড়তে দেখা যায়। বুধবার সন্ধ্যায় নিহতদের ছিন্নভিন্ন দেহবাশেষ উদ্ধার করা হয়।

 

মিরপুরের দারুস সালাম থানার ভাঙা দেয়াল এলাকার নিহত জঙ্গি আব্দুল্লাহর কর্মচারী ও কবুতর পালক কামাল (২২) নিখোঁজ রয়েছে। গত সোমবার রাত থেকে তিনি নিখোঁজ আছেন বলে দাবি পরিবার সদস্যদের দাবি।

নিখোঁজ কামালের বাবা আব্দুল মালেক জানান, ঈদের পরদিন থেকে তার ছেলের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ নেই। সে আব্দুল্লার বাসায় ৬ মাস ধরে কাজ করতো। কবুতর দেখাশুনার কাজ করতো সে।

তিনি আরও জানান, আমার ছেলে জঙ্গি না। সে কাজ করতে ঢাকায় আসছিল। সে নামাজ পড়তো কিন্তু জঙ্গি না। আব্দুল্লাহ আমার ছেলেকে মেরে ফেলেছে।

কামালের বাবা-মার ধারণা আব্দুল্লার বাসায় বিস্ফোরণে তাদের ছেলে মারা গেছে। তবে র‌্যাবের পক্ষ থেকে এখনও কামালের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়নি।

কামালের মা নূরজাহান জানান, ৬ মাস আগে সে ভোলার ইলিশ্যা গ্রামে চায়ের দোকানে করতো। আব্দুল্লার মাধ্যমেই সে ঢাকায় এসে তার বাড়িতে কবুতর লালন পালনের কাজ শুরু করে। মাসে ৬ হাজার টাকা বেতন দিতো। কাজ শুরুর পর গত রমযানে ও ঈদে দুইবার বাড়ি গিয়েছিল। কোরবানির ঈদের পর কামালের বাড়ি যাওয়ার কথা ছিল। পাঁচ সন্তানের মধ্যে কামাল দ্বিতীয়।

উল্লেখ্য, গত সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত পৌনে ১০টার দিকে রাজধানীর দারুস সালাম এলাকার বাসা-২/৩/বি বাড়িটি জঙ্গি সন্দেহে ঘিরে রাখে র‌্যাব। মঙ্গলবার সকালে বাড়িটির ভেতর থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হয়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পাঁচ থেকে ছয়টি ভয়াবহ বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া যায়। ওই বাসা থেকে প্রচুর পরিমাণে কালো ধোঁয়া উড়তে দেখা যায়। বুধবার সন্ধ্যায় নিহতদের ছিন্নভিন্ন দেহবাশেষ উদ্ধার করা হয়।

image_pdfimage_printPrint

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here