সীমান্তে বেড়া নির্মাণ মিয়ানমারের

0
69

রাখাইন-বাংলাদেশ সীমান্তে বেড়া নির্মাণ করতে চায় মিয়ানমার। এ বিষয়টি মিয়ানমারের পরবর্তী পার্লামেন্ট অধিবেশনে তোলা হবে। ১৭ই অক্টোবরে শুরু হবে ওই অধিবেশন। তাতে আলোচ্য এজেন্ডার শীর্ষে রয়েছে বাংলাদেশের সঙ্গে মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশের সীমান্তে বেড়া নির্মাণ। এ সময় সম্পূরক বাজেট পেশ করা হবে। তাতে নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য রাখাইন-বাংলাদেশ সীমান্তে বেড়া নির্মাণের অর্থায়নের বিষয়টি থাকবে। মিয়ানমারের সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে এ খবর দিয়েছে মিয়ানমারের পত্রিকা দ্য মিয়ানমার টাইমস। এতে বলা হয় মিয়ানমারের পার্লামেন্টের দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট পার্লামেন্ট, যা ইংরেজিতে রিপাবলিক অব দ্য ইউনিয়ন অব মিয়ানমার নামে পরিচিত, সেখানে এ বিষয়টি উত্থাপন করা হবে। ২০০৮ সালে ন্যাশনাল কনস্টিটিউশন এই পার্লামেন্ট প্রতিষ্ঠা করে। স্থানীয়ভাবে এটি পাইডাউঙসু হ্লুত্তাও নামে পরিচিত। এতে রয়েছে ২২৪ আসন বিশিষ্ট উচ্চকক্ষ হাউজ অব ন্যাশনালিটিজ, যা স্থানীয়ভাবে আমিওথা হ্লুত্তাও নামে পরিচিত। এ ছাড়া আছে ৪৪০ আসন বিশিষ্ট নিম্নকক্ষ হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভস, যা স্থানীয়ভাবে পাইথু হ্লুত্তাও নামে পরিচিত। ওই পত্রিকাটির খবরে বলা হয়, কেন্দ্রীয় সরকার পার্লামেন্টে আলোচনার জন্য যেসব ইস্যু রেখেছে তার মধ্যে বাংলাদেশের সঙ্গে রাখাইন সীমান্তে বেড়া নির্মাণ রয়েছে শীর্ষে। এ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলোর মধ্যে রয়েছে সম্পূরক বাজেট। এসব তথ্য দিয়েছেন বেশ কিছু পার্লামেন্ট সদস্য। পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির সদস্য ও মাইবোন শহর থেকে নির্বাচিত পাইথু হ্লুত্তাও-এর এমপি ইউ পি থান-এর মতে, পার্লামেন্টের আসন্ন ওই অধিবেশনে ১লা অক্টোবর থেকে আগামী বছর ৩০শে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অর্থবছরের বাজেট সংক্রান্ত বিষয় আলোচনায় রয়েছে। সাধারণত এমন অধিবেশনে সম্পূরক বাজেট অনুমোদিত হয়। এটাই এ অধিবেশনের কাজ। এটাই করবেন এমপিরা। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ও আর্থিক পরিকল্পনা বিষয়ক বিভাগের মহাপরিচালক ইউ মাউং মাউং টিন্ট বলেছেন, আর্থিক বছরটি নতুন করে ঠিকঠাক করে নিতে গত ৭ই সেপ্টেম্বর সম্মত হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। একই সঙ্গে উত্থাপন করা হবে একটি প্রস্তাব। তা হলো বাংলাদেশ ও রাখাইন সীমান্তে বেড়া নির্মাণ সংক্রান্ত। নিরাপত্তার জন্য এটা করার প্রস্তাব থাকবে। পাইথু হ্লুত্তাও-এর পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির সদস্য ও হ্লাইংবোয়ের এমপি এই ফাইওনে ছো বলেছেন, এক্ষেত্রে খরচের খাত দেখানো হবে প্রেসিডেন্টের রিজার্ভ ফান্ডের অধীনে।

image_pdfimage_printPrint

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here