শনিবার, মার্চ ৬, ২০২১
Home Blog Page 3

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের লাগাতার অবস্থান কর্মসূচী

0
লাগাতার অবস্থান কর্মসূচী
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের লাগাতার অবস্থান কর্মসূচী

মোঃ ফরহাদ হোসেন রানা, ষ্টাফ রিপোর্টার

অদ্য ১৮ই অক্টোবর রোজ রবিবার সকাল ৭টা থেকে শুরু করে সারাদেশের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র সৃষ্ট পদে কর্মরত দপ্তরী কাম প্রহরীদের রাজস্বখাতে স্থানান্তরের দাবীতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সম্মুখে অবস্থান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে পদযাত্রা কর্মসূচী পালন করেন বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কর্মচারী ঐক্য পরিষদ। বেলা আনুমানিক ১টার দিকে তারা মিরপুর ১০ নম্বর হয়ে বিজয় স্বরণী দিয়ে প্রধান মন্ত্রীর কার্যালয়ে মিছিল নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলে মিছিল মিরপুর ২নম্বর সিটি করপোরেশনের কাছে এলে পুলিশ তাদের মৌখিকভাবে বাধা দিলে তারা তা অমান্য করলে পুলিশ লাঠি চার্জ ও জলকামান ব্যবহার করেন উত্তেজিত পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে আনেন। এতে ছত্রভঙ্গ হয়ে কিছু কর্মী হতাহতের ঘটনা ঘটে এবং আহতদের নিয়ে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়। এ ব্যপারে সংগঠনের আহ্বায়কের সাথে কথা বলে জানা যায় যে, তারা দিবারাত্রী কর্মরত থাকেন শুধুমাত্র একটি আশায়। একদিন তাদেরকে রাজস্বখাতে স্থানান্তর করা হবে। যা সরকার তাদের কথা দিয়েছেন বলে জানালেন কর্মরত দপ্তরী ও প্রহরীদের অনেকেই। চিকিৎসার পর তারা সকলের লাগাতার অবস্থান কর্মসূচীর উদ্যোগ নেন ঢাকা জাতীয় প্রেসক্লাবের সম্মুখে। তাদের এই সিদ্ধান্তের কথা জানালেন বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কর্মচারী ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক।

আঁখি বলেন, ‘ছোটবেলা থেকে কেন যেন এই গানটি আমার অসম্ভব পছন্দের।

0
আঁখি বলেন, ‘ছোটবেলা থেকে কেন যেন এই গানটি আমার অসম্ভব পছন্দের।

মনিতে সারা বছর ব্যস্ত সময় কাটে আঁখির। করোনা সে ব্যস্ততায় লাগাম টানে। লকডাউন ভালো কাটেনি তাঁর। ঘরে বসে টুকটাক গান করেছেন কেবল। এ ছাড়া তেমন কিছু করারও ছিল না। হয়তো এ কারণেই অসুস্থতা পেয়ে বসেছে আঁখি আলমগীরকে। তবে এই সময়ে তিনি সন্তানদের সময় দিয়েছেন। তারা যেন ভেঙে না পড়ে, সে জন্য নিজের অসুস্থতাকে গুরুত্ব দেননি, সন্তানদেরও বুঝতে দেননি কিছু।
লকডাউনে কেমন কেটেছে, সেসব ভাগাভাগি করেন এই শিল্পী। ভিডিও আড্ডায় তিনি চল্লিশ বছর আগে প্রকাশিত পুরোনো গান নতুন করে গাওয়া, নিজের ইউটিউব চ্যানেলে সে গানের সংগীতচিত্র প্রকাশের অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন।

আঁখি আলমগীর

আঁখি আলমগীর

‘শেষ করো না’ শিরোনামে সেই গানটি ২৭ সেপ্টেম্বর আঁখির ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত হয়। শিল্পী জানান, এ গানের সঙ্গে দুজন প্রয়াত বিশেষ মানুষের স্মৃতি রয়েছে। একজন আলাউদ্দীন আলী, অন্যজন জাফর ইকবাল। প্রায় ৪০ বছরের পুরোনো এই গানটি লিখেছিলেন মনিরুজ্জামান মনির। বাংলাদেশ টেলিভিশনের জন্য আশির দশকে গানটি তৈরি করেছিলেন প্রয়াত সংগীত পরিচালক আলাউদ্দীন আলী। গানটি গেয়েছিলেন কিংবদন্তিতুল্য শিল্পী রুনা লায়লা ও অকাল প্রয়াত নায়ক-গায়ক জাফর ইকবাল। জানা গেছে, আলাউদ্দীন আলীর সঙ্গে জাফর ইকবালের এটাই প্রথম গান। এরপর তাঁরা একসঙ্গে আরও অনেক গান করেছিলেন। জনপ্রিয় সেই গানটি এবার একক কণ্ঠে তুলেছেন আঁখি আলমগীর। জে কে মজলিশের নতুন সংগীতায়োজনে তৈরি হলো গানটি। আর গ্ল্যামারাস আঁখিকে ক্যামেরার সামনে রেখে ভিডিও তৈরি করেছেন হাবিব।

আঁখি আলমগীর

আঁখি আলমগীর

আঁখি বলেন, ‘ছোটবেলা থেকে কেন যেন এই গানটি আমার অসম্ভব পছন্দের। এর কথা-সুর সত্যিই অসাধারণ। গানটি আমি গেয়েছি আলী চাচার অনুমতি নিয়ে, তিনি বেঁচে থাকতেই। রেকর্ডিং করেছি লকডাউনের কয়েক দিন আগে। এরপর থেকে তো ঘরবন্দী। এর মধ্যে আলী চাচাও চলে গেলেন। আফসোস, তাঁকে গানটি শোনাতে পারলাম না।’ আক্ষেপ থেকে নতুন সংস্করণের গানটি তিনি উৎসর্গ করেছেন আলাউদ্দীন আলীকে। গানটির শুরুতে শুভেচ্ছাবার্তা রয়েছে আলীকন্যা কণ্ঠশিল্পী আলিফের। তিনি জানিয়েছেন গানের পেছনের গল্প। তিনি বলেন, ‘গানটির পেছনে আমার বাবা–মায়ের দুজনেরই স্মৃতি আছে। গানটি আব্বু মনির চাচার সঙ্গে তৈরি করেছেন।’

আঁখি আলমগীর

আঁখি আলমগীর
সংগৃহীত

এর আগে করোনাকালের অভিজ্ঞতা নিয়ে আঁখি আলমগীর বলেছিলেন, ‘করোনাকাল কেটে গেলে শিগগিরই গানবাজনা হবে না। হাতে গোনা কয়েকজন বাদে গানের জগতের বেশির ভাগ মানুষই কষ্টে থাকবে। শিল্পী, কলাকুশলীদের মধ্যে অনেকে হয়তো অসুবিধার কথা বলতে পারছেন না। তবে আমরা বুঝতে পারছি, অনেকেই এরই মধ্যে সমস্যায় পড়ে গেছেন। আমরা যতই চাকচিক্যের জীবন যাপন করি না কেন, আমরা যা আয় করি, প্রায় পুরোটাই ব্যয় হয়ে যায়। অথচ এটি মানুষ বোঝে না। আমাদের দেশের শিল্পীরা কিন্তু টাকার ওপর ঘুমান না। তাঁরা আয় যেমন করেন, তেমনি খরচও আছে। আর বসে খেলে তো রাজার ভান্ডারও শেষ হয়ে যায়।’

আশা ভোঁসলের সঙ্গে আঁখি আলমগীর

আশা ভোঁসলের সঙ্গে আঁখি আলমগীর

শিল্পীদের দিকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আহ্বানও করেছেন আঁখি। তিনি বলেছেন, ‘এই মহাদুর্যোগ কেটে গেলে শিল্পীদের দিকে সরকারের তাকাতে হবে। সংস্কৃতি অঙ্গনের গুণীজন ও কর্তাব্যক্তিদের এ নিয়ে কথা বলা উচিত। প্রণোদনা আদায়ের পর এটি যেন সঠিকভাবে বণ্টন করা হয়, সে ব্যাপারেও খেয়াল রাখতে হবে। প্রকৃত অর্থে যাঁরা কষ্ট করছেন, তাঁদের কয়েক মাস চালিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। শিল্পীদের পেছনে সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা বাড়াতে হবে। সবাই খেয়াল করলে দেখবেন, এই দুর্যোগে কিন্তু শিল্পীরা ঘরে বসে থাকলেও থেমে নেই। তাঁরা ঘরে বসে গান গেয়ে, কথা বলে মানুষকে সচেতন করে যাচ্ছেন। কেউ নানাভাবে পাশে দাঁড়াচ্ছেন গোপনে বা প্রকাশ্যে। দেশ ও মানুষের প্রতি দায়িত্ববোধের জায়গা থেকেই এমনটা করেন তাঁরা। ভালোবাসা ছাড়া তাঁরা কিন্তু আর কিছু চান না।’

লতা মঙ্গেশকরের সঙ্গে আঁখি আলমগীর

লতা মঙ্গেশকরের সঙ্গে আঁখি আলমগীর

এই দুর্যোগে কিন্তু শিল্পীরা ঘরে বসে থাকলেও থেমে নেই। তাঁরা ঘরে বসে গান গেয়ে, কথা বলে মানুষকে সচেতন করে যাচ্ছেন। কেউ নানাভাবে পাশে দাঁড়াচ্ছেন গোপনে বা প্রকাশ্যে। দেশ ও মানুষের প্রতি দায়িত্ববোধের জায়গা থেকেই এমনটা করেন তাঁরা। ভালোবাসা ছাড়া তাঁরা কিন্তু আর কিছু চান না।

সূত্র: প্রথম আলো

আল্লামা শাহ আহমদ শফীর মৃত্যুতে শোক জানাতে লাখো মানুষের ঢল

0
আল্লামা শাহ আহমদ শফীর মৃত্যুতে শোক জানাতে লাখো মানুষের ঢল

না-ফেরার দেশে চলে গেলেন দেশের শীর্ষ কওমি আলেম, হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী। গতকাল সন্ধ্যায় রাজধানীর গেন্ডারিয়ার আজগর আলী হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তাঁর বয়স হয়েছিল ১০৪ বছর। হাটহাজারী মাদ্রাসায় অবস্থানকালে অসুস্থ হয়ে পড়লে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে তাঁকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গতকাল বিকালে হেলিকপ্টারযোগে ঢাকায় আনা হয়। সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে আজগর আলী হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। আজ বাদ জোহর হাটহাজারী মাদ্রাসাসংলগ্ন কবরস্থানে জানাজা শেষে ২টার দিকে লাশ দাফন করা হবে। আল্লামা আহমদ শফীর মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সমাজের নানা স্তরের মানুষ। হাটহাজারী মাদ্রাসায় বিভিন্ন দাবিতে ছাত্রদের বিক্ষোভের পর বৃহস্পতিবার রাতে মাদ্রাসার শুরা কমিটির সভায় আহমদ শফী মহাপরিচালকের পদ থেকে সরে দাঁড়ান।

ছেলে আনাস মাদানীকে মাদ্রাসার শিক্ষা পরিচালকের পদ থেকে স্থায়ীভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়। প্রবীণ এই ইসলামী চিন্তাবিদের মৃত্যুর খবর পেয়ে আজগর আলী হাসপাতালে ছুটে যান তাঁর শুভানুধ্যায়ীরা। তারা কান্নায় ভেঙে পড়েন। আলেমসমাজে নেমে আসে শোকের ছায়া। শতায়ু আল্লামা আহমদ শফী দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত অসুস্থতার পাশাপাশি ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। অসুস্থতার কারণে এর আগেও কয়েকবার তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছিল। আল্লামা শফী হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির, বাংলাদেশ কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড -বেফাক, সর্বোচ্চ ওলামা পরিষদ বাংলাদেশ, সরকারি স্বীকৃতির জন্য গঠিত হাইয়াতুল উলায়ার চেয়ারম্যানসহ ৩ শতাধিক প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বে ছিলেন। আল্লামা আহমদ শফীর ছেলে মাওলানা আনাস মাদানি জানান, শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে বিকালে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাঁকে ঢাকার আজগর আলী মেডিকেলে নিয়ে আসা হয়। ওখানে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মুফতি ফয়জুল্লাহ জানান, আজ শনিবার বাদ জোহর হাটহাজারী মাদ্রাসায় জানাজা শেষে তাঁর লাশ দাফন করা হবে। তিনি বলেন, প্রবীণ এই ইসলামী চিন্তাবিদের মৃত্যুতে আলেমসমাজে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দেশের বৃহত্তর কওমি মাদ্রাসা চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে অবস্থিত দারুল উলুম মুঈনুল ইসলামের মহাপরিচালক আল্লামা আহমদ শফী ১৯১৫ সালে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পাখিয়ার টিলায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মরহুম বরকত আলী এবং মা মরহুমা মেহেরুন্নেছা বেগম। আহমদ শফীর দুই ছেলে ও তিন মেয়ে। বড় ছেলে মাওলানা মোহাম্মদ ইউসুফ পাখিয়ার টিলা কওমি মাদ্রাসার পরিচালক। ছোট ছেলে আনাস মাদানি হেফাজতে ইসলামের প্রচার সম্পাদক। স্থানীয় মৌলভী আজিজুর রহমানের তত্ত্বাবধানে আল্লামা শফী প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন। এরপর সরফভাটা মাদ্রাসায় ভর্তি হওয়ার মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক লেখাপড়া শুরু করেন। আল-জামিয়াতুল আরাবিয়া ইসলামিয়া জিরি মাদ্রাসায় কিছুদিন লেখাপড়া করার পর ভর্তি হন দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদ্রাসায়। পরে উচ্চ শিক্ষার্থে চলে যান ভারতের দেওবন্দে। ওখানে ফুনুনাতে আলিয়া দাওরায়ে হাদিস, দাওরায়ে তাফসিরের কোর্স করেন। দেওবন্দ থেকে লেখাপড়া শেষ করে যোগদান করেন দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদ্রাসায়। ১৯৮৬ সালে হাটহাজারী মাদ্রাসার মহাপরিচালকের দায়িত্ব নেন। এর পর থেকে ধীরে ধীরে তিনি শীর্ষ কওমি আলেম হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। তাঁর মৃত্যুতে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান শোক জানিয়েছেন। তারা হলেন – জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ, আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের এমপি, মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু, বিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীর চরমোনাই, শিল্পমন্ত্রী অ্যাডভোকেট নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন, পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম, বিকল্পধারার মহাসচিব মেজর (অব.) আবদুল মান্নান এমপি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা ইসমাইল নূরপুরী, মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক, খেলাফত মজলিসের আমির অধ্যক্ষ মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাক, মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের, জাকের পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তফা আমীর ফয়সল, ইসলামী গণতান্ত্রিক পার্টির চেয়ারম্যান লায়ন এম এ আউয়াল, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নুরুল ইসলাম, গওহরডাঙ্গা মাদ্রাসার মুহতামিম ও খাদেমুল ইসলাম বাংলাদেশের আমির মুফতি রুহুল আমীন, মহাসচিব মাওলানা শামছুল হক, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমির মাওলানা আতাউল্লাহ হাফেজ্জী, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি মো. সিরাজুল ইসলাম, সেক্রেটারি জেনারেল সালাহউদ্দিন আইউবী, রাবেতাতুল উম্মাহ বাংলাদেশের সভাপতি মাওলানা এনামুল হক মূসা, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আজিজুর রহমান হেলাল, জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টির সভাপতি লিয়াকত হোসেন খোকা এমপি, ইসলামী যুব আন্দোলনের সভাপতি কে এম আতিকুর রহমান, সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মুহাম্মাদ নেছার উদ্দীন, গওহরডাঙ্গা মাদ্রাসার মুুফতি উসামা আমীন, কওমি মঞ্চের চেয়ারম্যান মুফতি মোহাম্মদ তাসনীম, তানজিমুল মুদাররিসিন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা ঝিনাত আলী, খাদেমুল ইসলাম বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আজিজুর রহমান।

গৃহবধুর গলায় দড়ি দিয়ে শিশু সন্তানকে পানিতে ফেলে হত্যা

0
গৃহবধুর গলায় দড়ি দিয়ে শিশু সন্তানকে পানিতে ফেলে হত্যা

ঘটনাটি ঘটে নোয়াখালীর সুধারাম থানার ৭ নং কাজিরটেক ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড, বাংলা বাজারের দক্ষিণে। স্বামী-স্ত্রীর বনিবনা না হলে, স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন মিলে গভির রাতে মাকে নির্যাাতন করে মেরে গাছের সাথে ফাঁসি দিয়ে ঝুলিয়ে রেখে ১ বছরের কন্যা সন্তানটিকে পানিতে ফেলে হত্যা করেছে নরপশুরা। এমন নির্মমতা আর বর্বরতাকে কেন্দ্র করে গ্রামবাসীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেনে। তারা জানান এমন জঘন্য হত্যাকাণ্ড পৃথিবীতে বিরল। হত্যাকারীর দৃষ্টান্তমুলক বিচার চাই, ফাঁসি চাই। যানা যায় মৃত মেয়েটি কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ৮ নং চর এলাহী ইউনিয়ন গাংচিলের অধিবাসী। মেয়টির বাবার নাম কাসেম মোল্লা।

ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে রাবি’র উপপরিচালক (সংগীত) রকিবুল হাসান রবিনের বিরুদ্ধে মামলা

0

ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সুখরঞ্জন সমাদ্দার ছাত্র-শিক্ষক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের (টিএসসিসি) উপপরিচালক (সংগীত) রকিবুল হাসান রবিনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

বুধবার সকালে মহানগরীর মতিহার থানায় ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা এ মামলা দায়ের করেন।

মতিহার থানার ওসি এএসএম সিদ্দিকুর রহমান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন। আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১০ সালে তার মেয়ে ১২ বছর বয়সে রকিবুল হাসানের কাছে গান শিখতেন। রবিন বাড়িতে এসে গান শেখাতেন। এসময় রবিন পরিবারের সদস্যদের কাছে বিশ্বস্ত হয়ে ওঠেন।

এই সুযোগ ব্যবহার করে তার মেয়ের ওপর যৌন নির্যাতন করেছেন রবিন। তখন ভয়ভীতি দেখিয়ে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে একাধিকবার ধর্ষণ করেছেন। সে সময় তার মেয়ে এ বিষয়ে বাবা-মাকে বলতে সাহস করেননি।

এজাহারে আরও বলা হয়, বর্তমানে তার মেয়ে ভারতে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছেন। কয়েক মাস আগে দেশে ফিরে তার মেয়ে জানতে পারেন, রবিন আরও অনেক মেয়ের সঙ্গে এ রকম অনৈতিক কাজ করেছেন। এরপরই ভুক্তভোগী তাদেরকে (বাবা-মা) বিষয়টি বলেছেন।

আর যেন কোনো মেয়ের ক্ষতি না করতে পারে, এছাড়া এই ঘটনার অন্যায়ের প্রতিবাদ করা উচিত– এরকম উপলব্ধি থেকে তার মেয়ে এর প্রতিবাদ করছেন।

এর আগে গত ২৩ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের কাছে জমা দেয়া লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে রবিনের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতন প্রতিরোধ সেল তদন্ত করছে।

গত ২ সেপ্টেম্বর উপাচার্য দফতর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সেলে পাঠানো অভিযোগের বিষয়ে ৯ সেপ্টেম্বর একটি সভা হয়েছে।

এ বিষয়ে যৌন নির্যাতন প্রতিরোধ সেলের সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক রেজিনা লাজ বলেন, আমরা অভিযোগ পাওয়ার পর প্রথম সভা করেছি। ঘটনাটি অনেক আগের। আমরা দ্রুত সময়ের মধ্যে তদন্ত শেষ করার চেষ্টা করছি।

আপেল খেলে অগ্ন্যাশয়ে ক্যান্সারের ঝুঁকি প্রায় ২৩ শতাংশ কমে যায়!

0
Red apple with leaf and slice on a white background.

স্বাস্থ্যকর ফল হিসেবে আপেলের বেশ নামডাক আছে। আপেলের একাধিক স্বাস্থ্য উপকারিতার জন্য অসুস্থ হলে চিকিৎসকরা রোগীকে আপেল খাওয়ার পরামর্শ দেন। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াও ভালোবেসে দিনে একটা বা দুটা আপেল অনেকেই খান।

আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন ফর ক্যান্সার রিসার্চ-এর গবেষকদের মতে, আপেল খেলে অগ্ন্যাশয়ে ক্যান্সারের ঝুঁকি প্রায় ২৩ শতাংশ কমে যায়। তাদের দাবি, আপেলের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফ্ল্যাভোনল থাকে, যা অগ্ন্যাশয়ে ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধিতে বাধা দেয়।
নিউইয়র্কের কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা আপেলের মধ্যে ট্রিটারপেনয়েডস নামের এক ধরনের উপাদানের সন্ধান দিয়েছেন। এই ট্রিটারপেনয়েডস স্তন, লিভার এবং কোলোন ক্যান্সারের কোষের বৃদ্ধিতে বাধা দেয়।

এ ছাড়া আপেল খেলে ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি প্রায় ২৮ শতাংশ কমে যায়। কারণ, আপেলের মধ্যে থাকা ফাইবার রক্তে শর্করার ভারসাম্য সঠিক রাখতে সাহায্য করে।

তবে এই উপকারী ফলের কয়েকটি ক্ষতিকর দিকও রয়েছে যা আপনার স্বাস্থ্যহানি, এমনকি মৃত্যুরও কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে! তবে চলুন সেগুলো সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

১) পরিবারের কারও অ্যালার্জির সমস্যা থাকলে আপেল থেকে দূরে থাকাই ভালো। কারণ, আপেলের গায়ে লেগে থাকা মোম অ্যালার্জির সমস্যা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। মোমে যে সালফার ডাই-অক্সাইড থাকে, তার প্রভাবে গলা খুসখুস করা, বমি বমি ভাবসহ একাধিক শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে।

২) কৃত্রিম উপায়ে আপেলের ফলন বাড়াতে এবং কীট-পতঙ্গের হাত থেকে বাঁচাতে আপেলেই যে সবচেয়ে বেশি কীটনাশক ব্যবহার করা হয়, একাধিক সমীক্ষায় তার প্রমাণ মিলেছে। আমাদের শরীরে এই কীটনাশকের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া মারাত্মক ক্ষতিকর! পানি দিয়ে ধোওয়ার পরও আপেলকে কীটনাশকের প্রভাবমুক্ত করা যায় না। ফলে স্বাস্থ্যহানির একটা ঝুঁকি থেকেই যায়।

৩) আপেলের বীজ আমাদের স্বাস্থ্যের পক্ষে মারাত্মক ক্ষতিকর! আপেলের বীজ পেটে চলে গেলে তা স্বাস্থ্যহানির পাশাপাশি মৃত্যুর ঝুঁকিও বাড়িয়ে দেয় অনেকখানি। একটা বা দুটো বীজে তেমন কোনো মারাত্মক ক্ষতি না হলেও পেটে খিঁচুনি, বমি বমি ভাব, মাথা ব্যথা, অস্বাভাবিক ক্লান্তিসহ একাধিক শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে।

তবে বেশ কয়েকটা আপেলের বীজ চিবিয়ে খেলে তা থেকে শরীরে মারাত্মক বিষক্রিয়া হতে পারে। আপেলের বীজে থাকা অ্যামিগডালিন অত্যাধিক পরিমাণে শরীরে মিশলে তা রক্তের অক্সিজেনের ভারসাম্য নষ্ট করে দেয়। বাধাপ্রাপ্ত হয় রক্তে অক্সিজেনের স্বাভাবিক সরবরাহ। ফলে মিনিট খানেকের মধ্যেই মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে!

তাই যত খুশি আপেল খান। তবে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় উল্লেখিত এই বিষয়গুলো মাথায় রাখলেই চলবে।

এনসিবির জেরাতে মাদক কাারবারে রিয়া বিটাউনের ২৫ জন তারকার নাম

0
এনসিবির জেরাতে মাদক কাারবারে রিয়া বিটাউনের ২৫ জন তারকার নাম

সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর তদন্তের সঙ্গে সঙ্গে বলিউডে ড্রাগের গভীর সংযোগের রহস্য ক্রমশ ফাঁস হচ্ছে। এই কেসের অন্যতম মূল অভিযুক্ত রিয়া চক্রবর্তীর হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের ভিত্তিতে নারকোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি) তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে।

এরপর তাঁকে গ্রেপ্তার করে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। বাইকুল্লা জেলের একটি সলিটারি সেলই আপাতত তাঁর ঠিকানা। রিয়ার ভাই শৌভিক চক্রবর্তীকেও এই কেসে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রিয়া জামিনের আবেদন করলে আদালত তা খারিজ করে দেয়।

এনসিবির জেরাতে রিয়া বিটাউনের ২৫ জন তারকার নাম নিয়েছেন। তাঁরা নিজেরা মাদক নিতেন বা ড্রাগ পার্টির আয়োজন করতেন বলে রিয়া জানিয়েছেন। এই ২৫ জন তারকার মধ্যে রিয়া বেশ কিছু নাম খোলাসা করেছেন। শুধু অভিনেতা নন, বলিউড ইন্ডাস্ট্রির নামজাদা প্রযোজক, পরিচালক এই মামলায় জড়িয়ে পড়তে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই তদন্তে কেঁচো খুঁড়তে কেউটে বেরিয়ে আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এনসিবির জেরার মুখে রিয়া সারা আলী খান, রাকুল প্রীত সিং, ডিজাইনার সিমোন খমবাট্টার নাম নিয়েছেন বলে দাবি ভারতের এক শীর্ষস্থানীয় চ্যানেলের। সুশান্তের থাইল্যান্ড সফরের সঙ্গে জড়িয়ে আছে সারার নাম।

রিয়া এনসিবিকে আগেও জানিয়েছিলেন যে ‘কেদারনাথ’ ছবির সেট থেকে সুশান্ত ড্রাগ নেওয়া শুরু করেন। এই বলিউড তারকার বক্তব্য, এই ছবির অনেক অভিনয়শিল্পী ড্রাগ নিতেন। রিয়া দাবি করেছিলেন যে সারা আলী খানও সুশান্তের মাদক সেবনের সঙ্গী ছিলেন। ডিজাইনার সিমোনের নাম ধরা পড়েছে রিয়ার ড্রাগ চ্যাটে। রিয়া এনসিবির জিজ্ঞাসাবাদের সময় আরেক বলিউড তারকা রাকুল প্রীত সিংয়ের নাম ফাঁস করেছেন। এনসিবি তাঁদের বিরুদ্ধে সব তথ্য–প্রমাণ সংগ্রহ করে সমন পাঠাবে।

এনসিবির জেরার মুখে রিয়া সারা আলী খান, রাকুল প্রীত সিং, ডিজাইনার সিমোন খমবাট্টার নাম নিয়েছেন বলে দাবি ভারতের এক শীর্ষস্থানীয় চ্যানেলের

এনসিবি আদালতকে জানিয়েছিল যে তাদের প্রারম্ভিক তদন্তে রিয়া বেশ কিছু বলিউড তারকার নাম ফাঁস করেছেন। বিটাউনের বেশ কিছু ব্যক্তিত্ব ড্রাগ র‍্যাকেটের সঙ্গে জড়িত বলে জানিয়েছে এনসিবি। এই ড্রাগ র‍্যাকেটের মাধ্যমে বিশাল পরিমাণ আর্থিক লেনদেন হতো। এনসিবি এই এ-লিস্ট ড্রাগ র‍্যাকেটের পর্দা ফাঁস করতে উঠেপড়ে লেগেছে। তারা এখন এই কেস–সম্পর্কিত সব তথ্য–প্রমাণ সংগ্রহ করতে ব্যস্ত।

ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা

0
ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা

প্রতিবেশীদের প্রতি ভারতের সহযোগিতা, কূটনৈতিক তৎপরতা, মহামারি করোনা মোকাবেলায় বৈশ্বিক সহযোগিতাসহ বিভিন্ন বিষয়ের পাশাপাশি রবিবার ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করেন ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হর্ষবর্ধন শ্রিংলা। এ সময় তিনি বলেন, করোনা পরবর্তী পরিস্থিতিতে অনেক কিছুর পরিবর্তন হলেও প্রতিবেশী প্রথম নীতি পরিবর্তন হবে না ভারতে।

ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ ওয়ার্ল্ড অ্যাফেয়ার্স (আইসিডব্লিউএ) আয়োজিত এই আলোচনায় শ্রিংলা বলেন, ‘সম্প্রতি নিয়ন্ত্রণ রেখায় (এলএসি) চীনের সাথে ভারতের সংঘাত হয়েছে। চল্লিশ বছরেরও বেশি সময় পরে সীমান্তে এই দুর্ঘটনা ভারতের জন্য সবচেয়ে গুরুতর চ্যালেঞ্জ। এ বিষয়ে সামরিক এবং কূটনৈতিক চ্যানেলগুলির মাধ্যমে চীনের সঙ্গে ভারত যোগাযোগ করছে এবং সংলাপের মাধ্যমে সমস্ত অমীমাংসিত বিষয় সমাধানের জন্য দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ রয়েছে।’

তিনি বলেন, মহামারী এবং লকডাউন বিশ্বায়নের কয়েকটি মৌলিক চালিকাশক্তিকে কাছ থেকে দেখার সুযোগ করে দিয়েছে। বর্তমানে বিশ্বব্যাপী রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক শৃঙ্খলাকে রূপদান করে এমন অন্যান্য বিষয় সম্পর্কে বিশ্ববাসী ভাবতে বাধ্য হয়েছে। এটি ভারতসহ বিশ্ববাসীর চিন্তাভাবনার কেন্দ্রে জায়গা করে নিয়েছে।

ভারতের পরামর্শ, অভিজ্ঞতা, দৃষ্টিভঙ্গি এবং প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত নেতৃত্ব, দ্বিপক্ষীয় এবং বহুপক্ষীয় প্ল্যাটফর্মে প্রশংসা পেয়েছে বলে জানান তিনি।

কূটনৈতিক গতি তৈরি এবং বজায় রাখার জন্য ভারতের প্রচেষ্টা বহুমুখী এমন মন্তব্য করে তিনি বলেন, ভারত একটি বৈশ্বিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট দেশ। দেশটির অর্থনীতি এবং সকলের সামগ্রিক উন্নয়ন বিশ্বব্যাপী সরবরাহ শৃঙ্খলে যুক্ত। বিশ্বকে আন্তঃসংযুক্ত বাজারের সাথে সীমান্তহীন অর্থনীতি হিসাবে দেখে ভারত।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ভারত সর্বদা একটি বৃহত্তর সম্প্রদায়ের অংশ হিসেবে বিশ্বাস করে। ভারতীয়দের বিশ্বাস- ‘সবার মঙ্গল সামষ্টিক কল্যাণের মাঝেই নিহিত। তারা ‘নিষ্কাম কর্ম’ নীতিতেও বিশ্বাস করে। অর্থাৎ যা কিছু ভাল তা এর নিজের প্রয়োজনেই করতে হবে।

করোনা মোকাবেলায় বৈশ্বিক পর্যায়ে ভারতের কার্যক্রম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মিশন সাগর, অপারেশন সঞ্জীবনী, বেশ কয়েকটি দেশে কোভিড মোকাবেলায় মেডিকেল র‌্যাপিড রেসপন্স টিম মোতায়েন, স্বাস্থ্য পেশাদার এবং স্বাস্থ্য সক্ষমতা সংযোগ এগুলি কেবল বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং ভারতের কেন্দ্রীয় বিশ্বাস এবং আকাঙ্ক্ষাকে উপস্থাপন করে। এই প্রচেষ্টাগুলো বিশ্বব্যাপী সহযোগিতার জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রীর মানুষকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গিকে তুলে ধরে। এই দৃষ্টিভঙ্গির সাথে সামঞ্জস্য রেখে ভারত মহামারীর মাঝে বিশ্ব স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ইতিবাচক অবদান রেখেছে। অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতিতে বিশ্বে এক দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের জন্য দূরদর্শী দৃষ্টিভঙ্গি নিয়েছে। এটি ভারতের আন্তর্জাতিক অবস্থানকে উন্নীত করেছে এবং মহামারী-পরবর্তী বিশ্বে স্থিতিশীল রাখবে। নভেল করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাব একটি বড় ভূ-রাজনৈতিক ধাক্কা হিসাবে এসেছে এবং এটি বিশ্ব রাজনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলবে। হয়ত সামনে বৈশ্বিক শক্তিতে ভারসাম্যগত পরিবর্তন দেখা যাবে। নতুন বহুপাক্ষিক কথোপকথনের উত্থান হবে এবং এই কথোপকথনে অংশীদারদের আপেক্ষিক শক্তিতে পরিবর্তন; এবং বিশ্বজুড়ে শক্তি, সংস্থান এবং ক্ষমতার বিস্তরণ ঘটবে।

এই নতুন বৈশ্বিক পরিবেশে ভারতের পছন্দ, চ্যালেঞ্জ এবং সুযোগগুলিও প্রভাবিত হবে জানিয়ে তিনি বলেন, কিছু জিনিস পরিবর্তন হবে না। ভারতের প্রতিবেশী প্রথমে নীতিও তেমন একটি বিষয়। ভারত দক্ষিণ এশিয়ায় প্রতিবেশীদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার প্রদান করছে। এর প্রমাণ এই মহামারীর শুরুতেই বিশ্ব পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আঞ্চলিক ও দক্ষিণ এশিয়ার নেতাদের সাথে আলোচনা করেছেন। মহামারীর মধ্যে আমার প্রথম বিদেশ সফর ছিল প্রতিবেশী এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধু বাংলাদেশ।

প্রতিবেশী এবং এর বাইরেও সুরক্ষা সামগ্রী সরবরাহকারীর ভূমিকা গ্রহণ করেছে ভারত। কোভিড সংকটের এই কঠিন সময়ে বন্ধুবান্ধব এবং অংশীদারদের সাহায্য করার জন্য ভারত আগ্রহ দেখিয়েছে।

আশেপাশের প্রচুর সুযোগের পাশাপাশি চ্যালেঞ্জও রয়েছে। এগুলি সমাধানে ভারত যথাযথভাবে কাজ করবে। ভারতের সক্ষমতা এবং সংস্থান বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় কৌশল গ্রহণ করার জন্য ভারত সর্বদা প্রস্তুত আছে বলেও জানান তিনি।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বলেন, ‘আমি আবারও প্রধানমন্ত্রীর উদ্ধৃতি দিতে চাই। ইকোসকের উচ্চ পর্যায়ের সভায় তিনি বলেছিলেন, ভারত দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে টেকসই শান্তি ও সমৃদ্ধি অর্জনের পথটি বহুপাক্ষিকতার মধ্য দিয়ে আসবে। পৃথিবীর বাসিন্দা হিসেবে, অভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে এবং অভিন্ন লক্ষ্যসমূহ অর্জন করতে আমাদের অবশ্যই হাত মিলিয়ে যেতে হবে। বহুপক্ষীয়তাকে সমসাময়িক বিশ্বের বাস্তবতার প্রতিনিধিত্ব করা দরকার। কেবলমাত্র জাতিসংঘকে সংস্কার করে নতুন বহুপক্ষীয়তার মাধ্যমে মানবতার আকাঙ্ক্ষাগুলো পূরণ সম্ভব।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বলেন, আমরা বন্ধুদের সাথে উন্নয়ন অংশীদারিত্বের মাধ্যমে প্রচুর পরিমাণে সংস্থান স্থাপন করি। এটি আমাদের সদিচ্ছা এবং সক্ষমতা এবং ‘সবার সাথে সবার উন্নতি’ নীতিতে আমাদের বিশ্বাসের একটি বাস্তব প্রতিফলন। উন্নয়ন অংশীদারিত্ব একটি অগ্রগতিমূলক কাজ এবং আমরা কীভাবে অংশীদারিত্বগুলি বাড়াতে পারি এবং আমাদের বন্ধুদের অগ্রাধিকার অনুযায়ী চাহিদা পূরণ করতে পারি তার দিকে লক্ষ্য রাখছি।

ধর্মীয় বিধিনিষেধকে অগ্রাধিকার দিয়ে অ্যালকোহলের বিজ্ঞাপনে অংশ নিতেন না-হাশিম আমলার

0
ধর্মীয় বিধিনিষেধকে অগ্রাধিকার দিয়ে অ্যালকোহলের বিজ্ঞাপনে অংশ নিতেন না-হাশিম আমলার

দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক অধিনায়ক হাশিম আমলার মতোই ঝামেলায় পড়লেন পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক বাবর আজম।

ধর্মীয় বিধিনিষেধকে অগ্রাধিকার দিয়ে অ্যালকোহলের বিজ্ঞাপনে অংশ নিতেন না আমলা। এমনটি জার্সিতেও কোনো মদ কোম্পানির লোগো ছাপতে দিতেন না। এ জন্য পুরো ক্যারিয়ারজুড়েই ম্যাচ ফির নির্দিষ্ট একটি অংশ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তিনি।

প্রোটিয়া তারকার মতো একই পরিস্থিতির মুখোমুখি বাবর আজম। তিনিও হাশিম আমলার মতোই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, আর কখনই মদ কোম্পানির লোগোসংবলিত জার্সি পরবেন না।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ শেষে ইংলিশ কাউন্টি ক্লাব সামারসেটে যোগ দেন বাবর। সেখানেই প্রথম ম্যাচে একটি মদ কোম্পানির লোগোসংবলিত জার্সি পরে মাঠে নামেন তিনি।

এর পরই পাকিস্তানের ক্রিকেটভক্তদের তুমুল সমালোচনায় পড়েন বাবর।

যদিও বাবরের দাবি, তিনি মদ কোম্পানির লোগোসংবলিত জার্সি পরবেন না বলে আগেই পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছিলেন সামারসেটকে। তবু তারা এই জার্সি প্রস্তুত করে রেখেছিল তার জন্য।

এবার তীব্র সমালোচনা হজমের পর বাবর আজম কড়া ভাষায় জানিয়ে দিলেন, আমি আর কখনও মদ কোম্পানির লোগোসংবলিত জার্সি পরব না। তাতে যদি কোনো আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়, তবু হব।

বাবর আজম এই ইচ্ছাকে সম্মান জানিয়েছে সামারসেট। ক্লাবটি নিশ্চিত করেছে, এখন থেকে এই পাক অধিনায়কের জার্সিতে মদ কোম্পনির লোগো থাকবে না।

তথ্যসূত্র: জিও টিভি, টাইমস নাউ নিউজ

সরকারের সাহসী ও ভালো উদ্যোগ বিএনপি দেখতে পায় না-ওবায়দুল কাদের

0
সরকারের সাহসী ও ভালো উদ্যোগ বিএনপি দেখতে পায় না-ওবায়দুল কাদের

বিভেদের দেয়াল ভেঙে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের সেতুবন্ধনই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে সোনালি অর্জনের নবদিগন্ত উল্লেখ করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শনিবার ময়মনসিংহের ত্রিশালে কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত ‘বঙ্গবন্ধু: বাঙালির চেতনার বাতিঘর’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় ওবায়দুল কাদের তার সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হন। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, তাদের দৃষ্টিশক্তিতে নেতিবাচক রাজনীতির ঘন কুয়াশা জমেছে বলেই সরকারের সাহসী ও ভালো উদ্যোগ বিএনপি দেখতে পায় না। তারা পূর্ণিমার রাতে অমাবস্যার আঁধার দেখেন। আন্দোলন ও নির্বাচনে পরাজিত হয়ে জনআস্থা হারিয়েছে দলটি। তাই গভীর হতাশায় মাঝে মধ্যে আড়াল থেকে মাঝে মধ্যে হাঁক ছাড়েন। যা আষাঢ়ের তর্জন গর্জন, এতে জনগণ বিভ্রান্ত হয় না।