যারা গোল করে না তারাই করল গোল

0
82

আন্তর্জাতিক ম্যাচে একটি গোলের জন্য কত হাহাকারই না করতে হয় বাংলাদেশকে। থিম্পুর চাংলিমিথাং স্টেডিয়ামই তো দেবে সে সাক্ষী। গত বছর অক্টোবরে এই স্টেডিয়ামেই গোল করার লোকের অভাবে প্রথমবার ভুটানের মতো দলের কাছে ৩-১ গোলে হারতে হয়েছিল বাংলাদেশকে। সে ক্ষত এখনো বয়ে বেড়াচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। অথচ বছর না ঘুরতেই সে একই স্টেডিয়ামে যুবাদের কল্যাণে উল্টে গেল দৃশ্যটা। প্রথমার্ধে তিন গোল হজম করে দ্বিতীয়ার্ধে ৪ গোল দিয়ে ভারতের বিপক্ষে অবিশ্বাস্য এক জয়ের ইতিহাস লিখেছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৮ দল।

জোড়া গোল করা জাফর ইকবাল চট্টগ্রাম আবাহনীতে খেলে থাকেন। চলতি প্রিমিয়ার লিগে নিয়মিত মাঠে নামার সুযোগ না হওয়ায় নামের পাশে নেই গোলও। বদলি হিসেবে খেলেছেন মাত্র কয়েকটি ম্যাচ। অন্য দুই গোল করা রহমত মিয়া ও সুফিল প্রিমিয়ার লিগে খেলেন ডিফেন্ডার হিসেবে। আরামবাগের অধিনায়ক সুফিল মূলত উইঙ্গার হলেও ক্লাবে কোচ মারুফুল হক উইংব্যাক হিসেবে খেলাচ্ছেন। আরামবাগের ৫-৩-২ ফর্মেশনের পাঁচ ডিফেন্ডারের একজন সুফিল। আর রহমত মিয়া তো পুরোদস্তুর লেফটব্যাক। এই তিনজনই ভারতকে তিন গোল শোধ করে উপরি আরও একটি হজম করিয়েছে।
গোলের জন্য বিশেষ কারও ওপর নির্ভর করতে হবে না কোচকে। বাংলাদেশ কোচ মাহবুব হোসেন রক্সিও আছেন সেই স্বস্তিতে, ‘আমার ছেলেরা তিন গোল খেয়ে চার গোল পরিশোধ করেছে। ম্যাচে গোল পেয়েছে তিনজন। কোচ হিসেবে এর চেয়ে বেশি আমি কীই-বা চাইতে পারি। আমার কাছে এটাই বড় সন্তুষ্টি, আমার দলে গোল করার লোকের অভাব নেই।’

image_pdfimage_printPrint

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here