মেসির চেয়ে এগিয়ে নেইমার

0
46

‘ড্রিবলিং’য়ের সময় নেইমারের মাথা কাজ করে বিমানের ‘স্বয়ংক্রিয় পাইলট’-এর মতো। ডিফেন্ডারদের দেয়াল গলে বল নিয়ে লিওনেল মেসির ছোটা দেখলে মনে হয়, ছুরি দিয়ে মাখন কাটা হচ্ছে! এক যুগেরও বেশি সময় ধরে এমন মেসিকেই দেখছে সবাই। প্রাণরসায়নভিত্তিক গবেষণায় দেখা গেছে, মেসির ড্রিবলিং এতটাই নিখুঁত যে ল্যাবরেটরিতে যার পুনরাবৃত্তি ঘটানোও ভীষণ কঠিন ব্যাপার। ড্রিবলিংয়ের প্রসঙ্গে নেইমারের নামটাও আসতে বাধ্য। বার্সেলোনা এই দুই ‘ড্রিবলিং জাদুকর’কে একসঙ্গে চার বছর পেয়েছে। নেইমার ঠিকানা পাল্টানোয় এখন মাঠের লড়াইয়ে দুজন একে-অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী। সেই প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অন্তত ‘ড্রিবলিং’য়ের ক্ষেত্রে এ মৌসুমে নেইমার কিন্তু মেসির চেয়ে এগিয়ে!

মাত্র ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি উচ্চতা নিয়ে মেসির চোখ ধাঁধানো ‘ড্রিবলিং’য়ের নেপথ্যে রয়েছে তাঁর ‘লো সেন্টার অব গ্র্যাভিটি’। নেইমারের ক্ষেত্রে বিষয়টা একটু আলাদা। জাপানের স্নায়ুবিজ্ঞানীদের মতে, ‘ড্রিবলিং’য়ের সময় ব্রাজিলিয়ানের মাথা কাজ করে বিমানের ‘স্বয়ংক্রিয় পাইলট’দের মতো।
ফ্রেঞ্চ লিগ ওয়ানে এ পর্যন্ত ৬ ম্যাচে ৬ গোলের পাশাপাশি সতীর্থদের আরও পাঁচ গোল করিয়েছেন নেইমার। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে করেছেন ৮ গোল। মেসি গোলের হিসাবে এগিয়ে। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১১ ম্যাচে ১৪ গোল ; এর মধ্যে শুধু লা লিগাতেই করেছেন ৭ ম্যাচে ১১ গোল। কিন্তু ‘ড্রিবলিং’য়ে ইউরোপের সেরা পাঁচ লিগ বিচারে নেইমারই শীর্ষে। পিএসজি ফরোয়ার্ড এ পর্যন্ত ৭২ বার ‘ড্রিবলিং’য়ের চেষ্টা করে ৪৬ বার সফল হয়েছেন। তাঁর সফলতার হার শতকরা ৬৪ ভাগ।
মেসি কিন্তু নেইমারের চেয়ে খুব বেশি পিছিয়ে নেই। বার্সেলোনা ফরোয়ার্ড ৬৮ বার ‘ড্রিবলিং’য়ের চেষ্টা করে ৪২ বার সফল হয়েছেন। সফলতার হারে নেইমারের চেয়ে তিনি মাত্র ২ শতাংশ পিছিয়ে, মানে শতকরা ৬২ ভাগ। ‘ড্রিবলিং’ হারে সবচেয়ে সফল লিঁওর ফরাসি অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার নাবিল ফেকির। ৫০ বার চেষ্টা করে ৩৫ বারই উতরে যাওয়া নাবিলের সফলতার হার শতকরা ৭০ ভাগ।

image_pdfimage_printPrint

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here